অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক ওয়ানডে সিরিজ জয়ের লক্ষ্য পাকিস্তানের

রাওয়ালপিন্ডিতে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়াকে ৫ উইকেটে হারায় পাকিস্তান। নিজেদের ওয়ানডেতে এক হাজারতম ম্যাচে ৫২৮তম জয়ের স্বাদ পায় পাকিস্তান।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
অস্ট্রেলিয়া-পাকিস্তান ম্যাচ
অস্ট্রেলিয়া-পাকিস্তান ম্যাচ |সংগৃহীত

প্রথম ম্যাচ জিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে পাকিস্তান। জয়ের ধারা অব্যাহত রেখে দ্বিতীয় ম্যাচেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টানা তৃতীয় ওয়ানডে সিরিজ জয় নিশ্চিত করতে চায় পাকিস্তান। ২০২২ ও ২০২৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার সর্বশেষ দুই ওয়ানডে সিরিজও জিতেছিল পাকিস্তান।

লাহোরে বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে খেলতে নামবে পকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া।

রাওয়ালপিন্ডিতে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়াকে ৫ উইকেটে হারায় পাকিস্তান। নিজেদের ওয়ানডেতে এক হাজারতম ম্যাচে ৫২৮তম জয়ের স্বাদ পায় পাকিস্তান।

পাকিস্তানের স্মরণীয় জয়ে অবদান রাখেন ওয়ানডেতে অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা বাঁ-হাতি স্পিনার আরাফাত মিনহাস। ১০ ওভার বল করে ৩২ রানে ৫ উইকেট নেন তিনি।

মিনহাসের দুর্দান্ত বোলিং নৈপুন্যে ৪৪.১ ওভার ব্যাট করে ২০০ রানে গুটিয়ে যায় প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামা অস্ট্রেলিয়া। দলের হয়ে ম্যাট রেনশ ৬১ ও ম্যাথু শর্ট ৫৫ রান করেন।

জবাবে বাবর আজম ও গাজি ঘোরির জোড়া হাফ-সেঞ্চুরিতে ৪৫ বল বাকি রেখে জয়ের স্বাদ পায় পাকিস্তান। বাবর ৬৯ ও ঘোরি ৬৫ রান করেন।

বল হাতে দারুণ পারফরমেন্সের পর ব্যাট হাতে ১৭ বলে ১৮ রানের অনবদ্য ইনিংসের সুবাদে ম্যাচ সেরা হন মিনহাস। দ্বিতীয় ম্যাচেও বল হাতে জ্বলে উঠতে চান তিনি, ‘প্রথম ম্যাচে দলের জয়ে অবদান রাখতে পেরে আমি সন্তুষ্ট। আশা করি দ্বিতীয় ম্যাচেও দলের জন্য কিছু করতে পারব। সিরিজ জয় নিশ্চিতের জন্য দ্বিতীয় ম্যাচে জয় ছাড়া অন্য কিছুই ভাবছে না সতীর্থরা।’

সিরিজে সমতা ফেরাতে মরিয়া অস্ট্রেলিয়া। দলের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক জশ ইংলিশ বলেন, ‘ব্যাটারদের ব্যর্থতায় প্রথম ম্যাচে আমরা হেরেছি। আমি বিশ্বাস করি ওই ম্যাচের ভুলগুলো শুধরে দ্বিতীয় ম্যাচেই দল ঘুরে দাঁড়াবে। ম্যাচ জিততে হলে ব্যাটারদের বড় ইনিংস খেলতে হবে। আশা করি ব্যাটার-বোলারদের নৈপুন্যে সিরিজে টিকে থাকবে অস্ট্রেলিয়া।’

এখন পর্যন্ত ওয়ানডেতে ১১২বার মুখোমুখি হয়েছে পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া। এরমধ্যে পাকিস্তানের জয় ৩৭ ম্যাচে এবং অস্ট্রেলিয়া জিতেছে ৭১ ম্যাচে। এছাড়া তিনটি ম্যাচ পরিত্যক্ত ও একটি টাই হয়।

পাকিস্তান দল : শাহিন শাহ আফ্রিদি (অধিনায়ক), সালমান আগা, আবদুল সামাদ, আবরার আহমেদ, আহমেদ দানিয়াল, আরাফাত মিনহাস, বাবর আজম, হারিস রউফ, মাজিদ সাদাকাত, গাজী ঘোরি, নাসিম শাহ, রোহাইল নাজির, সাহিবজাদা ফারহান, শাদাব খান, শামিল হোসেন, সুফিয়ান মুকিম।

অস্ট্রেলিয়া দল : জশ ইংলিস, (অধিনায়ক), অ্যালেক্স ক্যারি, ন্যাথান এলিস, ক্যামেরন গ্রিন, ম্যাথু কুনেমান, মার্নাস লাবুশেন, রেলি মেরেডিথ, ওলিভার পিক, ম্যাট রেনশ, তানভির সাঙ্গা, লিয়াম স্কট, ম্যাথু শর্ট, বিলি স্ট্যানলেক, অ্যাডাম জ্যাম্পা। বাসস