সকাল সকাল ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় বাংলাদেশ। তবে এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিমের জুটিতে বিপর্যয় সামাল দেয়ার চেষ্টা করে টাইগাররা। ১০১ রান নিয়ে যায় বিরতিতে।
কিন্তু বিরতি থেকে ফিরে আবারো বড় ধাক্কা খায় টাইগাররা। মাত্র ১৫ রান তুলতে আরো ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। যদিও লিটন দাস চেষ্টা করছেন মান বাঁচানোর।
লিটন দাসের ৮৭ বলে ৪৫ রানে ভর করে ৫৮ ওভারে ৭ উইকেটে ১৮২ রান তুলেছে টাইগাররা। সাথে তাইজুল ইসলাম বেশ সহযোগিতা করলেও ৩৯ বলে ১৬ রানে আউট হয়ে গেছেন তিনি।
বাংলাদেশ প্রথম উইকেট হারায় অবশ্য প্রথম ওভারেই। দ্বিতীয় বলেই আব্বাসের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে মাহমুদুল হাসান জয় ফেরেন রানের খাতা না খুলেই। বড় ধাক্কা খায় বাংলাদেশ।
তবে মমিনুলকে নিয়ে সেই ধাক্কা অনেকটা সামলে নিয়েছিলেন তানজিদ তামিম। অভিষেকে দারুণ আত্মবিশ্বাসী ছিলেন তিনি। তবে এরপর আব্বাসকে মারতে গিয়ে বল তুলে দেন আকাশে।
সহজ ক্যাচ নিলেন বোলার নিজেই। ৩৪ বলে ২৬ রানে ফেরেন তিনি। তামিমের বিদায়ের পর পরই ফিরেছেন মমিনুল হকও। দলকে ১৬ ওভারে ৬৩ রানে রেখে আউট হন ৪১ বলে ২২ করে।
এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম মিলে চেষ্টা করেন সব সামলে নিতে। তবে জুটি ৪৩ রানে পৌঁছুতেই হয় ছন্দ পতন। ২৯ রান করে আউট হন অধিনায়ক। আব্বাসের শিকার হন তিনি।
বড় হয়নি মুশফিকের ইনিংসও। পাকিস্তান পেসার খুররম শেহজাদের বলে এলবিডব্লু হয়ে শেষ হয় তার ২৩ রানের ইনিংস। ১১০ রানে ৫ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর ফিরেন মেহেদী মিরাজও।
সেই শেহজাদের শিকার হন তিনি ৪ রান করে। ১৫ রানের ভেতর ৩ উইকেট হারিয়ে স্কোর দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ১১৬ রান। ধুকতে থাকে বাংলাদেশ। সেখান থেকে তাইজুলকে নিয়ে দলকে টানতে থাকেন লিটন।
সেই তাইজুল ফেরেন ৫৮তম ওভারে। সাজিদ খানের শিকার হন এই স্পিনার।



