প্রথম সেশনে ৭৫ রানের বিনিময়ে ৪ উইকেট তুলে নিয়ে লড়াইয়ে ফিরেছিল বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয় সেশনে দাপট দেখিয়েছে পাকিস্তান। মাত্র ১ উইকেট হারিয়ে তুলেছে ৯৮ রান।
সব মিলিয়ে চা বিরতিতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত পাকিস্তানের রান ৬ উইকেটে ৩৪৯। মিরপুরে বাংলাদেশের করা ৪১৩ রান পেরিয়ে যেতে আর চাই মাত্র ৬৪ রান। হাতে আছে ৪ উইকেট।
প্রথম সেশনের শেষদিকেই হাল ধরেছিলেন সালমান আগা ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। এই জুটিতেই দ্বিতীয় সেশনের পুরোটা কাটিয়ে দেয় পাকিস্তান। ১৫৭ বলের জুটিতে যোগ হয় ১১৯ রান।
তবে স্বস্তির খবর হলো, এই জুটি ভেঙে দিয়ে চা বিরতিতে গেছে বাংলাদেশ। ৮৯.৪ ওভারে তাইজুলকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে রিজওয়ান ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন ৭৯ বলে ৫৯ রান করে।
রিজওয়ানের বিদায়ের পরই দেয়া হয় চা বিরতি। এর মাঝেই আবার মিরপুরে নেমেছে বৃষ্টি। মাঠ ঢাকা হয়েছে কাভারে। সাধারণত ১৫ মিনিটের বিরতি হলেও স্বাভাবিকভাবেই তা এখন বড় হবে।
এদিকে রিজওয়ান আউট হলেও এখনো অপরাজিত আছেন সালমান। ৯০ বলে ৫৫ রানে ব্যাট করছেন তিনি। আটে নামবেন নোমান আলী।
এর আগে দিনের শুরুতে হাত মেলানোর উপলক্ষ এনে দেন তাসকিন। আজান আওয়াইসকে ফিরিয়ে পান প্রথম সাফল্য। ভাঙে ১০৪ রানের জুটি। তবে ফেরার আগে দারুণ কীর্তি গড়ে যান আজান।
অভিষেকেই তিন অঙ্কের দেখা পেয়ে যান তিনি। ১৩৩ বলে ৮৫ রান নিয়ে দিনের খেলা শুরু করা আজান ২০ বল খেলেই পৌঁছান স্বপ্ন চূড়ায়। পাকিস্তানের ১৪তম ক্রিকেটার হিসেবে গড়েন টেস্ট অভিষেকেই সেঞ্চুরি।
তবে এরপর আর ইনিংস বড় হয়নি। তাসকিনের বলে স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন এই সেঞ্চুরিয়ান। আউট হন ১৬৫ বলে ১৪ চারে ১০৩ রান করে।
চারে নামা পাকিস্তান অধিনায়ককেও থিতু হতে দেননি তাসকিন। ১৭ বলে ৯ রান করে ফেরেন শান মাসুদ। দ্রুত ২ উইকেট হারানোর ধাক্কা সামলে ওঠার আগে ফের জোড়া উইকেট হারায় পাকিস্তান।
এই দুটো উইকেট নেন মেহেদী মিরাজ। সৌদ শাকিলকে ৪ বলে ০ রানে ফেরানোর পর তার শিকার দারুণ ব্যাট করতে থাকা আব্দুল্লাহ ফজল। ফেরার আগে অবশ্য তিনি তুলে নেন ফিফটি।
১২০ বলে ৬০ রান করে তাইজুল ইসলামকে ক্যাচ দেন ফজল। ২০ রানের ভেতর ৪ উইকেট হারায় পাকিস্তান, যার মাঝে ৪ রানেই পতন হয় ৩ উইকেট। এরপর দলকে টানেন সালমান ও রিজওয়ান।



