পর্দা নেমেছে বিপিএলের আলোচিত সিলেট পর্বের। নানা ঘটনা আর রটনায় শেষ হয়েছে এই অধ্যায়। যেখানে ১৮ দিনে গড়িয়েছে মোট ২৪ ম্যাচ। আছে যেমন প্রাপ্তি, তেমনি অপূর্ণতাও। এই পর্বে ইনিংসে দুই শ’ ছাড়াতে পারেনি কোনো দল।
সোমবার রাতে ঢাকা-রাজশাহী ম্যাচ দিয়ে শেষ হয়েছে সিলেটে এবারের বিপিএল। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হবে ঢাকা পর্ব। তবে এরই মাঝে প্লে অফ নিশ্চিত করেছে তিনটি দল- রাজশাহী ওয়ারিয়ার্স, চট্টগ্রাম রয়্যালস ও সিলেট টাইটানস।
সম্প্রচারের সাথে ধারাভাষ্যের মান বাড়লেও দর্শক উপস্থিতি কমেছে। প্রথম কয়েক দিনে গ্যালারি পরিপূর্ণ থাকলেও শেষদিকে তা রূপ নিয়েছে শূন্য গ্যালারিতে। যার বড় কারণ যেমন শৈত্যপ্রবাহ, তেমনি রান খরাও।
সিলেটে প্রায় ম্যাচই ছিলো লো স্কোরিং। এখনো কোনো দল দলীয় দুই শ’ রান করতে পারেনি। অবশ্য বিদেশীদের ছাপিয়ে এবার ব্যাটে-বলে উজ্জ্বল দেশী ক্রিকেটাররাই। বিশেষ করে পেসাররা। তিনটি হ্যাটট্রিকও আদায় করে নিয়েছেন তারা।
বোলারদের শীর্ষ পাঁচে এখন পর্যন্ত শতভাগ দেশীয় আধিপত্য। সর্বোচ্চ ১৪ উইকেট নিয়ে তালিকার শীর্ষে নোয়াখালীর পেসার হাসান মাহমুদ। শরিফুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান ও রিপন মন্ডলের শিকার সমান ১৩ উইকেট।
আসরের একমাত্র ফাইফারসহ নাসুম আহমেদের নামের পাশে রয়েছে ১২ উইকেট। এছাড়া ইতিহাসে প্রথমবার এক টুর্নামেন্টে হয়েছে তিনটি হ্যাটট্রিক। মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী ছাড়াও হ্যাটট্রিক করেছেন রিপন মন্ডল ও মেহেদী হাসান রানা।
ব্যাট হাতে অবশ্য তেমন উত্তাপ ছড়াতে পারেননি ব্যাটাররা। শীর্ষ রান সংগ্রাহক টি-টোয়েন্টি দলের বাইরে থাকা সাবেক অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। আসরের একমাত্র সেঞ্চুরিটিও করেছেন তিনি।
৮ ম্যাচে ১টি সেঞ্চুরি ও ১টি ফিফটিতে ২৯২ রান করেছেন বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক। স্ট্রাইক রেট ১৪২.৪৩। এছাড়া ব্যাটিংয়ে শীর্ষ পাঁচে আছেন আরো দুইজন স্থানীয় ও দুজন বিদেশী খেলোয়াড়।
এছাড়া সিলেটের পারভেজ ইমন ৯ ম্যাচে ১৩১ স্ট্রাইকরেটে করেছেন ২৮৮ রান। আর তিনে আছেন চোটে পড়ে বিপিএল ছেড়ে যাওয়া চট্টগ্রামের অ্যাডাম রসিংটন। ৬ ইনিংসে তার রান ২৫৮।
চারে আছেন রংপুরের তাওহীদ হৃদয়। এই ব্যাটার ৮ ইনিংসে ১২৮ স্ট্রাইকরেটে ২০৭ রান করেন। খেলেন ক্যারিয়ার সেরা ৯৭* রানের ইনিংস। এছাড়া ৬ ইনিংসে ব্যাট করে ২০৩ রান করেন ডেভিড মালান।


