বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতিটা ভালোই নিয়েছিল বাংলাদেশ দল। বিশ্বকাপে না খেললেও যার ঝলক দেখা গেল অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে। উদ্বোধনী ম্যাচেই পেয়েছে বড় জয়।
লক্ষ্যটা ছিলো ১৪৪, খুব বেশি বড় না। লিটন দাস ও সাইফ হাসান মিলে সে লক্ষ্যটা করে দিলেন আরো মামুলি। তাদের দুইজনের ফিফটিতে ৬ উইকেটের জয় পেয়েছে ধূমকেতু।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) টসে হেরে মিরপুরে আগে ব্যাট করে ১৯.৫ ওভারে ১৪৩ রানে গুটিয়ে যায় দুরন্ত। জবাবে ১৬.১ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়েই জিতে যায় ধূমকেতু।
মধ্যমানের রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৩৪ রানের উদ্বোধনী জুটি হয় ধুমকেতুর সাইফ ও তানজিদ তামিমের। ১৭ রান করে তামিম রিপনের শিকার হলে ভাঙে জুটি।
এরপর অধিনায়ক লিটনকে নিয়ে দুরন্তর বোলারদের ওপর চড়াও হন সাইফ হাসান। জুটি ভাঙে তার বিদায়েই। ফেরার আগে স্কোরবোর্ডে দু'জনে যোগ করেন ৭৮ রান।
দলীয় ১১২ রানে ফেরার আগে ৩০ বলে ৩টি করে চার ও ছক্কায় ৫০ রান করেন সাইফ। তবে এরপর দ্রুত ফেরেন পারভেজ ইমন (৬) ও তাওহীদ হৃদয় (২)।
তবে ততক্ষণে অধিনায়ক লিটন একপ্রান্ত আগলে তুলে নেন নিজের ফিফটিও। শেষ পর্যন্ত ১০ চারে ৪৩ বলে ৬৫ রান করে অপরাজিত থেকে দলকে জেতান তিনি।
২ রান করে অপরাজিত ছিলেন শামীম হোসেন পাটোয়ারি। দুরন্তর হয়ে ৩ উইকেট পান মেহরাব হাসান। আর ১টি উইকেট গেছে রিপন মন্ডল।
এর আগে ব্যাটিংয়ের শুরুটা ভালোই ছিল দুরন্তের। ৩.২ ওভারে আসে ৩১ রান। জিশান আলমকে (১৪) ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন সাকিব। তিনে নেমে সুবিধা করতে পারেননি আজিজুল হাকিম (২১ বলে ১৬)।
১০.৪ ওভারে দলকে ৭৫ রানে রেখে ফেরেন মাহফিজুল ইসলাম। রান আউট হবার আগে করেন ইনিংস সর্বোচ্চ ৩৬ বলে ৩৯ রান। এরপর আরিফুল ইসলাম (২) আকবর আলিকে (১৮) ফেরান রিশাদ হোসেন।
মাঝে মেহরাব হাসান ১৫ ও শেষ দিকে আব্দুল গাফফার সাকলায়েন করেন ১৫ রান। শেষ পর্যন্ত ১ বল বাকি থাকতে শেষ হয় দুরন্তর ইনিংস। ২১ রানে ৩ উইকেট নেন রিশাদ। তানজিম ও শরিফুল নেন ২ উইকেট।



