কেরানীগঞ্জে পশুর হাটের টেন্ডার নিয়ে বিএনপি-এনসিপি সংঘর্ষ, সাংবাদিক লাঞ্ছিত

Printed Edition
কেরানীগঞ্জে কোরবানির পশুরহাটের ইজারা নিয়ে বিএনপি-এনসিপির নেতাকর্মীরা সংঘর্ষে জড়ায় : পিআইডি
কেরানীগঞ্জে কোরবানির পশুরহাটের ইজারা নিয়ে বিএনপি-এনসিপির নেতাকর্মীরা সংঘর্ষে জড়ায় : পিআইডি

ঢাকা জেলা প্রতিনিধি

ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলা প্রাঙ্গণ গতকাল পরিণত হয়েছিল উত্তপ্ত রাজনৈতিক মাঠে। কোরবানির পশুর হাটের টেন্ডার জমা দেয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও এনসিপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এ সময় কয়েকজন সাংবাদিক লাঞ্ছিত হন।

বেলা দেড়টার দিকে উপজেলা চত্বরে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। বিকেল পর্যন্ত এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছিল।

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যদর্শীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, কেরানীগঞ্জ মডেল থানার তারানগর ইউনিয়নের মিলেনিয়াম কোরবানির পশুর হাটের ইজারা নিয়ে কয়েক দিন ধরেই উত্তেজনা চলছিল। বৃহস্পতিবার টেন্ডার জমা দেয়ার সময় সকাল থেকেই উভয় পরে নেতাকর্মীরা উপজেলা প্রাঙ্গণে অবস্থান নেন। একপর্যায়ে দুই পরে মধ্যে বাগি¦তণ্ডা শুরু হলে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় সংবাদ সংগ্রহে থাকা সমকালের রায়হানসহ কয়েকজন সাংবাদিককে মারধর ও লাঞ্ছিত করা হয়। তাদের কয়েকজনের মোবাইল ফোনও ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে।

এনসিপি নেতাদের দাবি, গত বছর মিলেনিয়াম সিটির পশুর হাটের ইজারা তাদের সমর্থকরা পেয়েছিলেন। এবারও টেন্ডারে অংশ নিতে তারা উপজেলা কার্যালয়ে যান। কিন্তু টেন্ডারপ্রক্রিয়া শুরুর আগেই প্রতিপরে নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালান।

জাতীয় ছাত্র শক্তির কেন্দ্রীয় সদস্য ও কেরানীগঞ্জ উপজেলা আহ্বায়ক আল আমিন বলেন, হামলায় জাতীয় যুব শক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক শেখ ফয়সাল, ছাত্র শক্তির দণি থানা আহ্বায়ক রতন, নিজামুল, সাফায়েত ও ছাব্বির আহত হয়েছেন। সাবেক ছাত্রদল নেতার নেতৃত্বে এ হামলা হয়েছে।

এ বিষয়ে বিএনপির স্থানীয় নেতাদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎণিকভাবে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওমর ফারুক বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।