নিজস্ব প্রতিবেদক
সাবেক মন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনি একটি হত্যা মামলায় জামিন পেয়েছেন। এ ছাড়া আরো ছয়টি মামলায় তার জামিন কেন দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। জামিন চেয়ে দীপু মনির করা পৃথক সাতটি আবেদনের শুনানি নিয়ে গতকাল বুধবার বিচারপতি মো: খায়রুল আলম ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদালতে দীপু মনির পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী রমজান আলী শিকদার ও আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো: হেমায়েত উল্লাহ।
শুনানি শেষে আইনজীবী রমজান আলী শিকদার জানান, রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় দায়ের করা মুদিদোকানি আবু সায়েদ হত্যা মামলায় হাইকোর্ট দীপু মনিকে রুলসহ অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন। তিনি বলেন, ওই মামলার এজাহারে দীপু মনির নাম নেই এবং তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগও নেই। অন্য যে ছয়টি মামলায় আদালত জামিন প্রশ্নে রুল জারি করেছেন, সেগুলোও হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলা। ওই মামলাগুলো রাজধানীর বাড্ডা ও যাত্রাবাড়ী থানার বলে জানান এই আইনজীবী।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর, ১৯ আগস্ট রাজধানীর বারিধারা এলাকা থেকে পুলিশ দীপু মনিকে গ্রেফতার করে। পরদিন ২০ আগস্ট তাকে আবু সায়েদ হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।
পরবর্তীতে এই সাতটি মামলায় নিম্ন আদালতে জামিন আবেদন নামঞ্জুর হলে তিনি হাইকোর্টে পৃথক সাতটি জামিনের আবেদন করেন, যা বুধবার হাইকোর্টের কার্যতালিকায় শুনানির জন্য ওঠে। দীপু মনির আইনজীবীদের তথ্যমতে, হত্যা, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত অপরাধ, দুর্নীতি ও সহিংসতা সৃষ্টির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় প্রায় ৭০টি মামলা রয়েছে।



