ক্যাসিনো কাণ্ডে জড়িতদের বিপক্ষে মোহামেডান সমর্থকরা

Printed Edition

ক্রীড়া প্রতিবেদক

নির্ধারিত সময়ের তিন বছর পর ৯ মার্চ মোহামেডান ক্লাবে নির্বাচন। এক সভাপতি ও ১৬ পরিচালক নির্বাচিত করার এই ভোটাভুটিতে সভাপতি পদে চার প্রার্থী। তাদের একজন জয়নাল আবদিন ফারুক গতকাল ক্লাব ভবনে এলেন। তবে মিডিয়ার সাথে কোনো কথাই বললেন না। আজ মোহামেডান ক্লাবের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার তারিখ। এর আগে গতকাল ক্লাব ভবনে সংবাদ সম্মেলন করে মোহামেডান সমর্থক দল। তারা ক্লাবের সুনাম ক্ষুণœকারী ক্যাসিনো কাণ্ডে জড়িতদের দেখতে চায় না ক্লাবের দায়িত্বে। মিডিয়াকে দেয়া লিখিত বক্তব্যে তারা ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে ক্লাবের ক্যাসিনো কর্মকাণ্ডের জন্য সরাসরি সাবেক ডিরেক্টর ইনচার্জ লোকমান হোসেন ভূঁইয়াকে দায়ী করেন। সমর্থক দলের মতে, ওই ঘটনায় ক্লাবের সুনাম ও ঐতিহ্য চরমভাবে ক্ষুণœ ও পদদলিত হয়েছে। ওই সময়ে ক্লাবে পুলিশি অভিযান চালানো হয়।

অভিযোগ করা হয়, লোকমান হোসেন ভূঁইয়া ওই ক্যাসিনো কাণ্ড করে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার করেছেন, যা বিভিন্ন মিডিয়ার রিপোর্টে প্রমাণ। তার সময়ে ফুটবল দল রেলিগেশন শঙ্কায় ছিল। ক্রিকেট ও হকিতে উল্লেখযোগ্য কোনো সাফল্য নেই। এরপর ক্লাব সভাপতি জেনারেল (অব:) আবদুল মুবীন ও ফুটবল কমিটির চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোহাম্মদ আলমগীরের হস্তক্ষেপে ফুটবলে ফেডারেশন কাপ এবং পেশাদার লিগে শিরোপা জয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ইতঃপূর্বে ক্লাবের সম্মানক্ষুণœকারী এবং ক্যাসিনো কাণ্ডে জড়িতরা এবারের নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র কিনেছেন। তারা কি ফের ক্যাসিনো কাণ্ড ঘটিয়ে অর্থ উপার্জন করতে চায়। আমরা এটাকে ভালো চোখে দেখছি না। জানানো হয়, ক্লাবে কে সভাপতি , কে পরিচালক হবেন- এটা নিয়ে সমর্থকরা নাক গলায় না। কিন্তু যখন চিহ্নিত অসৎ দুর্নীতিবাজরা ক্লাবের নির্বাচনে অংশ নেয়ার খায়েশ দেখিয়েছে তখন আমরা শঙ্কিত না হয়ে পারি না। আমরা আশা করব এই দুর্নীতিবাজরা ১ মার্চ ( আজ) মনোনয়নপত্র জমা না দিয়ে সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিদের ক্লাব পরিচালনার সুযোগ করে দেবেন।