মন্ত্রণালয়ের প্রস্তুতি সভা, ৭ দিনের মধ্যে পরিকল্পনা উপস্থাপন

জাপানে দক্ষ জনশক্তি পাঠাতে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ আগ্রহ

Printed Edition

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিদেশে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্য যাওয়া মানেই অদক্ষ জনশক্তি প্রেরণ করা। এবার নতুন সরকার এমন চিন্তাধারা থেকে বের হতে চাইছে। তারই অংশ হিসেবে বাংলাদেশের সম্ভবনাময় জাপানের শ্রমবাজারে দক্ষ জনশক্তি প্রেরণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টদের কাছে। প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে এমন নির্দেশনা পেয়েই প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিবসহ সংশ্লিষ্টরা তৎপরতা শুরু করেন। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে করেছেন প্রস্তুতিমূলক সভা।

বলা হচ্ছে, ২০৪০ সালের মধ্যে জাপানে এক কোটি ১০ লাখ যুবক শ্রেণীর লোক প্রয়োজন পড়বে। বাংলাদেশে প্রায় ২.৩ মিলিয়ন অতিরিক্ত যুবশক্তি রয়েছে। এদেরকে কিভাবে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করে জাপানসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে পাঠানো যায়- এসব বিষয় নিয়ে সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভায় এসব আলোচনা পর অংশীজনদের সাথে মতবিনিময় করে সাত দিনের মধ্যে একটি সুপারিশমালা তৈরি করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানোর কাজ শুরু হয়েছে।

গত রোববার প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুনের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়ে আরো বলা হয়েছে, গত ২১ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণসহ অন্যান্য বিষয়ে যে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে, সেই সভার অনুবৃত্তিক্রমে গত রোববার প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্যাহ ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং প্রতিমন্ত্রী মো: নুরুল হক উপস্থিত ছিলেন।

সেখানে আলোচনা হয়, নবগঠিত জাতীয়তাবাদী সরকারের যে নির্বাচনী ইশতেহার আছে তার ২০টির কার্যক্রম প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাথে সম্পৃত্ত। এ ছাড়া জাপানে জনশক্তি পাঠানো, প্রশিক্ষণের বিষয়ে যেসব স্টেক হোল্ডাররা এবং শিক্ষক, ছাত্রদেরকে প্রশিক্ষণ দেয়ার বিষয়ে অংশীজন রয়েছেন, সব স্টেকহোল্ডারকে নিয়ে পরশু দিন একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে। মন্ত্রণালয় থেকে আরো বলা হয়েছে, দক্ষ শ্রমিক তৈরি করতে ভাষা শিক্ষার জন্য আগে ৩৩টি টিটিসিতে প্রশিক্ষণ দেয়া হতো। জাপানের চাহিদার কথা বিবেচনা করে আরো ২০টি বাড়িয়ে এখন ৫৩টি টিটিসিতে জাপানি ভাষা শিক্ষা এবং দক্ষতা প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে বলে বৈঠকে আলোচনা হয়। মতবিনিময় সভার পর সবার মতামতের ভিত্তিতে একটা পূর্ণাঙ্গ কর্মপত্র /সুপারিশমালা তৈরি করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে বলেও সবাইকে অবহিত করা হয়।