পদ্মায় উদ্ধারকৃত লাশ খুনের আসামির হতে পারে : পুলিশ

Printed Edition

গাজীপুর প্রতিনিধি

সম্প্রতি মুন্সীগঞ্জের লৌহজং থানার ঘোরদৌড় এলাকায় পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার হওয়া মাথাবিহীন লাশটি চাঞ্চল্যকর কাপাসিয়া ট্র্যাজিডির প্রধান অভিযুক্ত ফোরকান মোল্লার হতে পারে বলে পুলিশের ধারণা। বিষয়টি নিশ্চিত হতে ডিএনএ পরীক্ষার উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ। এ জন্য উদ্ধার হওয়া লাশ থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পাশাপাশি নিহতের স্বজনদের কাছ থেকেও ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের প্রস্তুতি চলছে। শনিবার বিকেলে পদ্মা নদী থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহতের স্বজনরা লাশের শারীরিক গঠন ও পরনের কিছু আলামত দেখে ধারণা করছেন এটি ফোরকানের লাশ হতে পারে। তবে পুলিশ বলছে, পরীক্ষার রিপোর্ট ছাড়া নিশ্চিত হওয়ার সুযোগ নেই।

কাপাসিয়া থানার ওসি বলেন, ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পরই নিশ্চিতভাবে বলা যাবে। গাজীপুরের পুলিশ সুপার বলেন, ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে বিষয়টি স্পষ্ট হবে বলে আমরা আশা করছি।’

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এর আগে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ফোরকানের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি পদ্মা সেতুর সিসিটিভি ফুটেজে এক ব্যক্তিকে নদীতে ঝাঁপ দিতে দেখা যায়।

উল্লেখ্য, গত ৯ মে কাপাসিয়ার রাউৎকোনা পূর্বপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে ফোরকানের স্ত্রী শারমিন খানম (৩৫), তিন কন্যাসন্তান মীম (১৬), মারিয়া (৮), ফারিয়া (২) এবং শ্যালক রসুল মোল্লার (২২) রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহত শারমিনের বাবা শাহাদাৎ মোল্লা বাদি হয়ে কাপাসিয়া থানায় হত্যামামলা দায়ের করেন। মামলায় ফোরকান মোল্লাকে প্রধান আসামি করা হয়।