চট্টগ্রামে আদা রসুন ও পেঁয়াজের দাম নিম্নমুখী

চট্টগ্রাম ব্যুরো
Printed Edition

আগামী সাপ্তাহে কোরবানির ঈদ। তাই বাড়তি চাহিদা রয়েছে মসলার। গতবারের কোরবানির ঈদের তুলনায় এবার পেঁয়াজ, আদা ও রসুনের দাম নিম্নমুখী বলে জানালেন চট্টগ্রামের সর্ববৃহৎ পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দুই সপ্তাহ আগে প্রতি কেজি দেশী পেঁয়াজ প্রকারভেদে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বর্তমানে দাম কমে যাওয়ায় বিক্রি হচ্ছে ৪৩ থেকে ৪৮ টাকায়। দুই সপ্তাহ আগে প্রতি কেজি চায়না রসুন ১৩৫ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ১১৫ টাকায়। তা ছাড়া একই সময়ের ব্যবধানে কেজিতে ১৫ টাকা কমে চায়না আদার দাম। বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ১১৫ টাকায়।

অন্য দিকে পাইকারি বাজারটিতে বর্তমানে প্রতি কেজি কেরালা আদা ও দেশী রসুন ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতি কেজি ইন্ডিয়ান জিরা ৫৭৫ টাকা, চায়না দারুচিনি ৩৬৫ টাকা, ইন্দোনেশিয়ান লবঙ্গ এক হাজার ২৩০ টাকা, আফগানি কিশমিশ ৫২৫ টাকা। এ ছাড়া এলাচি মানভেদে বিক্রি হচ্ছে চার হাজার ২০০ থেকে পাঁচ হাজার টাকার মধ্যে যা গেল বছর কোরবানির সময় বিক্রি হয়েছিল ছয় হাজার থেকে ছয় হাজার ৫০০ টাকায়।

ব্যবসায়ীরা আরো জানান, দুই সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি দেশী পেঁয়াজে ২ টাকা, চায়না রসুনে ২০ টাকা ও চায়না আদা ১৫, চায়না দারুচিনিতে ৫ টাকা, ইন্ডিয়ান জিরায় ও ইন্দোনেশিয়ান লবঙ্গে ১০ টাকা করে কমেছে। বর্তমানে খাতুনগঞ্জে ভারতীয় কোনো পেঁয়াজ নেই। পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশটি থেকে কোনো পেঁয়াজও আসছে না। তাই পুরো বাজারে রয়েছে দেশী পেঁয়াজের দখলে। এবার পেঁয়াজের ফলন ভালো হওয়ায় এক মাস ধরে পেঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল।

খাতুনগঞ্জের হামিদুল্লাহ মিয়া মার্কেট ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো: ইদ্রিস নয়া দিগন্তকে বলেন, দেশী পেঁয়াজের ফলন ভালো হয়েছে। প্রতিদিন ট্রাকে ট্রাকে পেঁয়াজ আসছে। পুরো বাজার দেশী পেঁয়াজে সয়লাব। পাশাপাশি বিদেশ থেকেও আদা, রসুনের আমদানি ভালো। বাজারে কোনো সঙ্কট নেই। সব মিলিয়ে সরবরাহ বাড়ায় এবার এই তিন পণ্যের দাম নিম্নমুখী। আশা করছি, এসব পণ্যের দাম বাড়বে না। কিন্তু সে হিসেবে আমাদের বেচাকেনা এখনো বাড়েনি।