আফগানদের প্রথম জয়

Printed Edition

ক্রীড়া প্রতিবেদক

টি-২০ বিশ্বকাপের আগের আসরের সেমিফাইনালিস্ট আফগানিস্তান। এবারো ফেভারিট হিসেবেই ধরে নেয়া হয়েছিল রশিদ খানের দলকে। কিন্তু টানা দুই হারে সুপার এইটের সমীকরণ কঠিন করে ফেলেছে তারা। অবশেষে তৃতীয় ম্যাচে এসে বিশ্বকাপে প্রথম জয় পেল আফগানরা। সুপার এইটের আশা বাঁচিয়ে রাখতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে জয়ের কোন বিকল্প ছিল না আফগানদের। হারলেই বিদায়- এমন সমীকরণে আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে আমিরাতকে পাঁচ উইকেটে হারায় আফগানিস্তান।

দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে ১৬০ রান করে আরব আমিরাত। মাঝারি মানের লক্ষ্য তাড়ায় বেশ চাপেই ছিল আফগানিস্তান। শেষ ছয় ওভারে ৬১ রান দরকার ছিল তাদের। শেষ পর্যন্ত ওমরজাইয়ের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে দলটি। ২১ বলে দুই চার এবং তিন ছক্কায় ৪০ রানে অপরাজিত ছিলেন ওমরজাই। তাকে সঙ্গ দিয়েছেন দারউইশ রাসুলি। পঞ্চম ব্যাটার হিসেবে ফেরার আগে ২৩ বলে ৩৩ রান করেন তিনি। রাসুলি আউট হওয়ার সময় জয় থেকে ২০ রান দূরে ছিল আফগানিস্তান। ওমরজাই শেষ পর্যন্ত টিকে থাকায় অঘটনের সাক্ষী হতে হয়নি। প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলেই বিদায় নেন দলটির অন্যতম সেরা ব্যাটার রহমানুল্লাহ গুরবাজ। ইবরাহিম জাদরান আউট হওয়ার আগে ৪১ বলে ছয় চার এবং এক ছক্কায় ৫৩ রান করেন।

এর আগে ৪৮ বলে সর্বোচ্চ ৬৮ রান এনে দেন আমিরাতের শোহাইব। ৩১ বলে ৪০ রান করেন শারাফু। সাইদ হায়দার এবং হায়দার আলীর ব্যাট থেকে আসে সমান ১৩ রান। চার ওভার বল করে ১৫ রানে চার উইকেট নেন ওমরজাই। ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন তিনি। দুই ব্যাটারকে ফেরান মুজিব উর রহমান।

গ্রুপ ‘ডি’ তে তিন ম্যাচ শেষে ২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তিনে আফগানিস্তান। রশিদদের শেষ আটে ওঠা নির্ভর করছে একাধিক সমীকরণের ওপর। নিজেদের ম্যাচ শেষে কানাডার বিপক্ষে জিততেই হবে তাদের। আর কানাডার কাছে হারতে হবে নিউজিল্যান্ডকে। অন্য দিকে আগেই সুপার এইট নিশ্চিত করা দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হারতে হবে আমিরাতকে। সে ক্ষেত্রে ২ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেবে তারা। এরপরও পরের পর্বে যাওয়া নিশ্চিত নয় আফগানিস্তানের। নিউজিল্যান্ডের সমান ৪ পয়েন্ট হবে তাদের। তখন নেট রান রেটে যারা এগিয়ে থাকবে তারাই সুপার এইটে উঠবে।