বিশেষ সংবাদদাতা
শিশু ও নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ও তিকারক অভ্যাস প্রতিরোধের জন্য একটি প্রকল্পে ইউনিসেফ অনুদান দিচ্ছে ১৩০ কোটি ৩৪ লাখ ৮৭ হাজার টাকা। প্রকল্পের বাকি অর্থ দেবে বাংলাদেশ সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এবং জাতিসঙ্ঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) গতকাল আনুষ্ঠানিকভাবে একটি প্রকল্প নথিতে স্বার করেছে। যার ল্য প্রমাণভিত্তিক উন্নয়নের জন্য জাতীয় সমতা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশ জুড়ে শিশুদের কল্যাণ বাড়ানো।
শেরেবাংলা নগরস্থ ইআরডি সম্মেলন কক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো: শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এবং বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি মিসেস রানা ফাওয়ারস নিজ নিজ পে এই নথিতে স্বার করেন বলে ইআরডি থেকে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রকল্প পরিচালক ড. শামীমা নাসরিন, পিডি এবং যুগ্ম সচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ড. কাজী শাহজাহান, যুগ্ম সচিব, ইআরডি এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
ইআরডি জানায়, এই প্রকল্পের মূল ল্য হলো শিশু ও নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ও তিকারক অভ্যাস প্রতিরোধের জন্য সম্প্রদায়-নেতৃত্বাধীন পদ্ধতির মাধ্যমে জাতীয় ও উপ-জাতীয় পর্যায়ে একটি ব্যাপক শিশু সুরা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। এই প্রকল্পের ল্য হলো পরিষেবা এবং সচেতনতামূলক উদ্যোগের মাধ্যমে প্রায় আড়াই কোটি মানুষের কাছে পৌঁছানো।
যার মধ্যে কমপে ৫০ লাখ শিশু, মা-বাবা এবং যতœশীলরা সরাসরি হেডকাউন্ট হস্তেেপর মাধ্যমে অন্তর্ভুক্ত। যার মধ্যে কমপে ৬০ শতাংশ সুবিধাভোগী নারী। আর প্রকল্পটি মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়, সমাজসেবা বিভাগ, বাংলাদেশ শিশু একাডেমি, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো, প্রাথমিক শিা অধিদফতর, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিা অধিদফতরসহ গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় এবং বিভাগগুলোর সহযোগিতায় বাস্তবায়ন করবে।
মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে মোট আনুমানিক ১৭০ কোটি ৩৪ লাখ ৪৬ হাজার টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পটি ৩১ মার্চ ২০২৯ সালের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে। এই পরিমাণের মধ্যে ১৩০ কোটি ৩৪ লাখ ৮৭ হাজার টাকা ইউনিসেফ অনুদান সহায়তা হিসেবে প্রদান করবে এবং ৩৯ কোটি ৯৯ লাখ ৫৯ হাজার টাকা বাংলাদেশ সরকার প্রদান করবে।



