মিস ইউনিভার্স প্রত্যাহার করল ফ্রান্স

Printed Edition
মিস ইউনিভার্স প্রত্যাহার করল ফ্রান্স
মিস ইউনিভার্স প্রত্যাহার করল ফ্রান্স

বিনোদন ডেস্ক

আন্তর্জাতিক সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা ‘মিস ইউনিভার্স’-এর ২০২৬ সালের আসরে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। প্রতিযোগিতার সাম্প্রতিক কার্যক্রম ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির জাতীয় আয়োজনকারী প্রতিষ্ঠান মিস ফ্রান্স।

১৯৫২ সালে মিস ইউনিভার্স যাত্রা শুরুর পর থেকে নিয়মিত অংশ নিয়ে আসছিল ফ্রান্স। তবে দীর্ঘ এই ইতিহাসে এবারই প্রথম প্রতিযোগিতা থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিচ্ছে দেশটি। বৃহস্পতিবার ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানায় মিস ফ্রান্স কর্তৃপক্ষ। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘মিস ফ্রান্স কোম্পানি ২০২৬ সালের মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় অংশ না নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত আমাদের পরিচয়, মূল্যবোধ ও অঙ্গীকারের প্রতি বিশ্বস্ত থাকার ইচ্ছার প্রতিফলন।’ মিস ফ্রান্সের দাবি, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মিস ইউনিভার্সের কার্যক্রম ও নীতিগত দিকনির্দেশনা তাদের নিজস্ব মূল্যবোধের সাথে আর সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বিশেষ করে ২০২৫ সালের আসরে ‘বহু ধরনের অসঙ্গতি ও ব্যবস্থাপনাগত ত্রুটি’ লক্ষ করা গেছে বলে অভিযোগ করেছে তারা। তবে এই সিদ্ধান্তকে চূড়ান্ত বা স্থায়ী হিসেবে দেখছে না সংগঠনটি।

ভবিষ্যতে পরিস্থিতির উন্নতি হলে আবার মিস ইউনিভার্সে অংশ নেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে তারা। মিস ফ্রান্সের সভাপতি ফ্রেদেরিক জিলবেয়ার বলেন, ‘মিস ইউনিভার্স সব সময়ই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফ্রান্সকে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ ছিল। তবে আমাদের দায়িত্ব হলো মিস ফ্রান্স প্রতিযোগিতার মূল্যবোধ ও স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখা। সেই বিবেচনা থেকেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’ তিনি আরো বলেন, ভবিষ্যতে মিস ইউনিভার্সের কার্যক্রম ও নীতিগত পরিবর্তনের ওপর তারা নজর রাখবেন। ফ্রান্সের এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ও প্রভাবশালী প্রতিযোগিতা হিসেবে পরিচিত মিস ইউনিভার্স সম্প্রতি বিভিন্ন নীতিগত পরিবর্তন ও সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিনের অংশগ্রহণকারী একটি দেশের সরে দাঁড়ানোকে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত মিস ইউনিভার্স কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।