নয়া দিগন্ত ডেস্ক
- ইরানের বিদ্যুৎ স্থাপনা এবং খারগ দ্বীপ ধ্বংস করার হুমকি ট্রাম্পের
- মার্কিন প্রস্তাবকে ‘অযৌক্তিক’ আখ্যা দিয়ে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ থামাতে বৈশ্বিক কূটনৈতিক তৎপরতার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদে সৌদি আরব, তুরস্ক ও মিসরের সাথে চতুর্দেশীয় বৈঠকের পর পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার আজ চীন সফরে যাচ্ছেন। চীন এই মধ্যস্থতা উদ্যোগকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে। এ ছাড়া ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অ্যান্তোনিও কস্তা পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সাথে ফোনালাপে যুদ্ধ বিরতিতে ইইউর সমর্থনের কথা জানিয়েছেন।
এ দিকে মিসরের প্রেসিডেন্ট সিসি সরাসরি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে যুদ্ধ থামানোর আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, “আপনি ছাড়া এই সঙ্ঘাত কেউ থামাতে পারবে না।” তবে ট্রাম্প আলোচনার ইঙ্গিত দিলেও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনা মোতায়েন ও ইসরাইলি হামলা অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি এখনো অনিশ্চিত। ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে না দিলে বেসামরিক বিদ্যুৎ স্থাপনা, তেলকূপ ও খারগ দ্বীপে হামলা চালানোর নতুন হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া পোস্টে ট্রাম্প বলেন, তেহরান চুক্তিতে রাজি না হলে এ ধরনের পদক্ষেপ আরো বাড়াবেন। এই দ্বিমুখী অবস্থানের মধ্যেই পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক একটি বহুপক্ষীয় কাঠামোর মাধ্যমে যুদ্ধ থামানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। অন্য দিকে যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া প্রস্তাবগুলোকে ‘অবাস্তব, অযৌক্তিক এবং অত্যধিক’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। সোমবার তেহরান এই মন্তব্য করার পাশাপাশি ইসরাইলে নতুন করে একঝাঁক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।
ট্রাম্পের ধ্বংসাত্মক হুঁশিয়ারি
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার ইরানকে আবার চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, হরমুজ প্রণালি অবিলম্বে ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য খুলে না দিলে এবং দ্রুত কোনো চুক্তিতে না পৌঁছলে ইরানকে এর জন্য চরম মূল্য দিতে হবে। ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেন, আমরা ইরানের সমস্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র, তেলকূপ ও খার্গ দ্বীপ বোমা মেরে পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন করে দেবো। যদিও তিনি দাবি করেছেন, আলোচনা ‘ভালোভাবে এগোচ্ছে’, তবে একই সাথে তিনি মধ্যপ্রাচ্যে হাজার হাজার অতিরিক্ত মার্কিন সেনা পাঠাচ্ছেন।
ইরানের অনমনীয় অবস্থান
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, ওয়াশিংটন মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে আলোচনার বার্তা পাঠালেও তাদের প্রস্তাবগুলো গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বলেন, আমাদের অবস্থান পরিষ্কার। আমরা সামরিক আগ্রাসনের শিকার, তাই আমাদের সমস্ত শক্তি এখন আত্মরক্ষায় নিয়োজিত। বাঘাই আরো জানান, ইরান বর্তমানে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি) থেকে বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি পর্যালোচনা করছে।
মার্কিন বিমানের জন্য আকাশসীমা বন্ধ স্পেনের
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে অংশ নেয়া মার্কিন সামরিক বিমানগুলোর জন্য নিজেদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে স্পেন। সোমবার স্পেন সরকারের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং মানবিক সঙ্কটের আশঙ্কায় তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। স্পেন স্পষ্ট করেছে যে, তাদের ভূখণ্ড বা আকাশসীমা ব্যবহার করে ইরানের ওপর কোনো প্রকার আক্রমণাত্মক অভিযান তারা সমর্থন করবে না। স্পেনের এই সাহসী পদক্ষেপকে ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে মার্কিন নীতির বিরুদ্ধে এক বড় ধরনের কূটনৈতিক ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই নিষেধাজ্ঞার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক লজিস্টিকস ও বিমান চলাচলে বড় ধরনের বিঘœ ঘটতে পারে।
ট্রাম্প কূটনীতিকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন: রুবিও
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আলজাজিরাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ইরানের সাথে চলমান সঙ্কটে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তির চেয়ে কূটনীতি এবং আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান খুঁজতে বেশি আগ্রহী। রুবিও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করতে চায় না, তবে জাতীয় নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সব পথ খোলা রাখা হয়েছে। তিনি আরো উল্লেখ করেন, মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করা হয়েছে মূলত ট্রাম্পকে ‘সর্বোচ্চ নমনীয়তা’ এবং দরকষাকষির শক্তি জোগাতে, সরাসরি যুদ্ধের জন্য নয়। তবে ইরানকে অবশ্যই উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধ করে আলোচনার টেবিলে আসার আহ্বান জানান তিনি।
ইরানে সেনা পাঠাবে না ব্রিটেন
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে সরাসরি সম্পৃক্ততা অস্বীকার করে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, ব্রিটেন সেখানে কোনো স্থল সেনা পাঠাবে না। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, “এটি আমাদের যুদ্ধ নয় এবং আমরা এতে জড়িয়ে পড়তে চাই না।” তবে স্টারমার উল্লেখ করেন, ব্রিটিশ নাগরিক, জাতীয় স্বার্থ ও আঞ্চলিক মিত্রদের সুরক্ষায় যুক্তরাজ্য ‘প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ’ গ্রহণ অব্যাহত রাখবে। এ ছাড়া হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করতেও ব্রিটিশ প্রচেষ্টা জারি থাকবে। উল্লেখ্য, সরাসরি যুদ্ধে না জড়ালেও হরমুজ প্রণালিতে হুমকির মুখে থাকা ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে হামলার জন্য নিজেদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে যুক্তরাজ্য।
সামরিক উত্তেজনা ও তেলের বাজারে অস্থিরতা
যুদ্ধের বিস্তার ঘটায় সোমবার ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার ২.২ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল প্রায় ১১৫ ডলারে পৌঁছেছে, যা মাসিক হিসাবে রেকর্ড বৃদ্ধি। ইয়েমেনের হাউছি বিদ্রোহীরা ইসরাইল লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করায় লোহিত সাগরের ‘বাব আল-মান্দেব’ প্রণালিও এখন ঝুঁকির মুখে। বাজার বিশ্লেষক বন্দনা হরি বলেন, তেলের বাজার এখন কোনো সমঝোতার আশা ছেড়ে দিয়ে বড় ধরনের সামরিক সঙ্ঘাতের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
ইসরাইলি হামলা ও ক্ষয়ক্ষতি
ইসরাইলি সামরিক বাহিনী সোমবার তেহরানের সামরিক অবকাঠামো এবং লেবাননের বৈরুতে হিজবুল্লাহর স্থাপনা লক্ষ্য করে জোরালো ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এর ফলে বৈরুতের আকাশে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা গেছে। অন্য দিকে হিজবুল্লাহর রকেট হামলায় ইসরাইলের হাইফা শহরের একটি শিল্প ভবন ও জ্বালানি ট্যাংকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া কুয়েতের একটি বিদ্যুৎ ও পানি শোধন কেন্দ্রে ইরানি হামলায় এক ভারতীয় নাগরিক নিহত হয়েছেন বলে কুয়েত দাবি করলেও ইরান তা অস্বীকার করেছে।
ইসরাইলের তেল শোধনাগারে আগুন
ইরানের হামলায় ইসরাইলের হাইফায় একটি তেল শোধনাগারে আগুন লেগেছে। ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমগুলো এ কথা জানিয়েছে। আলজাজিরা খবরে বলা হয়, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলীয় শহর হাইফায় বাজান তেল শোধনাগারে আগুন ধরে যায়। এর আগে ১৯ মার্চ ইরান ওই স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিল।
মধ্যপ্রাচ্যে নজরদারি সঙ্কটে যুক্তরাষ্ট্র
সৌদি আরবে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ‘ই-৩ সেন্ট্রি’ রাডার বিমান ধ্বংস হওয়ার ফলে দূর থেকে ইরানের হুমকি শনাক্ত করার মার্কিন সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এমনটাই বলছেন বিশ্লেষকেরা। মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএনের বিশ্লেষণ করা ছবিতে দেখা গেছে, ধ্বংস হওয়া বিমানটির লেজ ভেঙে গেছে এবং এর ওপর থাকা বিশেষ গোলাকার রাডারটি মাটিতে পড়ে আছে। আকাশপথের আগাম সতর্কতা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার (এডব্লিউৈএসিএস) এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ এ রাডার। সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে ওই হামলার ঘটনা ঘটে।
সিএনএনের সামরিক বিশ্লেষক ও সাবেক মার্কিন কর্নেল সেড্রিক লেইটন বলেন, এ বিশেষ রাডার বিমান ধ্বংস হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারি সক্ষমতার জন্য একটি বড় আঘাত। এর ফলে মার্কিন যুদ্ধবিমান নিয়ন্ত্রণ করা এবং শত্রুবিমান বা ক্ষেপণাস্ত্রের হাত থেকে সেগুলো রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
এ রাডার বিমানগুলো দশকের পর দশক ধরে মার্কিন সামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে কাজ করছে। এটি আকাশ থেকে ১ লাখ ২০ হাজার বর্গমাইল এলাকাজুড়ে নজরদারি চালাতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এমন ১৭টি বিমান রয়েছে, যা তাদের জন্য এক বড় শক্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।
মানবিক বিপর্যয় ও নিহতের সংখ্যা
এক মাসের এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে নিহতের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ-এর মতে, ইরানে এ পর্যন্ত ৩,৫০০ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ১,৫৫০ জন বেসামরিক নাগরিক। লেবাননে নিহতের সংখ্যা ১,২৪০ ছাড়িয়েছে। এ ছাড়া ইরাকে অন্তত ১০০ জন এবং ১৩ জন মার্কিন সেনার প্রাণহানি ঘটেছে। লেবাননের দক্ষিণে জাতিসঙ্ঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর (ইউএন) এক ইন্দোনেশীয় সদস্য নিহত এবং একজন গুরুতর আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
ইসরাইলে ২৬১ সেনাসহ ৬ সহস্রাধিক আহত
ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত তাদের ২৬১ জন সেনাসদস্য আহত হয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত কতজন সেনা মারা গেছেন, সেই সংখ্যা প্রকাশ করেনি ইসরাইল। ইসরাইলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে আহত ছয় হাজার আটজনকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ১২১ জন এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই অন্তত ২৩২ জন আহত ব্যক্তি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
৩৮টি ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন প্রতিহত আমিরাতের
সংযুক্ত আরব আমিরাত গত ২৪ ঘণ্টায় ১১টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২৭টি ড্রোন প্রতিহত করেছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাতে গতকাল এই তথ্য জানিয়েছে বিবিসি। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, চলমান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে তারা এ পর্যন্ত ১ হাজার ৯৪১টি ড্রোন এবং ৪৪০টি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় আরো জানায়, এসব হামলায় আমিরাতে এখন পর্যন্ত ১৭৮ জন আহত হয়েছেন এবং প্রাণ হারিয়েছেন আটজন।
একই সময়ে প্রতিবেশী দেশ বাহরাইনও তাদের আকাশসীমায় আটটি ক্ষেপণাস্ত্র এবং সাতটি ড্রোন ভূপাতিত করার কথা জানিয়েছে। বাহরাইন প্রতিরক্ষা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে দেশটিতে এ পর্যন্ত মোট ১৮২টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৩৯৮টি ড্রোন প্রতিহত করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি হামলার জবাবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিবেশী দেশগুলোতে থাকা মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
নৌপ্রধান নিহত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করল ইরান
ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নৌবাহিনীর প্রধান আলিরেজা তাংগসিরির নিহত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছে ইরান। আইআরজিসির এক বিবৃতির বরাত দিয়ে ইরানের সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জানায়, তাংগসিরি ‘তার আঘাতের তীব্রতার’ কারণে মারা গেছেন। গত সপ্তাহে ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাৎজ বলেছিলেন, ইসরাইলি সেনাবাহিনী হামলা চালিয়ে ইরানের নৌবাহিনীর প্রধান আলিরেজা তাংগসিরিকে হত্যা করে। তখন এ বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।



