রংপুর ব্যুরো
নির্মানের পর ছয় বছর থেকে অলস পড়ে থাকা রংপুর মা ও শিশু হাসপাতালটি অবশেষে চালু হচ্ছে। গত রোববার দুপুরে হাসপাতালটির অবাকাঠামোসহ সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানান স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা: নাজমুল হোসেন।
তিনি জানান, ‘দেশের শুধু ছয়টি শিশু হাসপাতালই নয়, স্বাস্থ্য বিভাগে এ ধরনের আরো অনেক স্থাপনা রয়েছে। যেগুলো চালু হয়নি। বিষয়টি নজরে আসার পর প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য মন্ত্রণালায়কে সেগুলো চালু করার নির্দেশ দেন। এ ছাড়াও মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সরেজমিন পরিদর্শন করে রিপোর্ট করার নির্দেশ দিয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা রংপুরে পুরো টিম নিয়ে এসেছি। আমরা ভবনটি পরিদর্শন করলাম। এটা একটা সুন্দর স্থাপনা। এটি চালু করা গেলে রংপুর বিভাগের শিশু চিকিৎসায় মানুষ উপকৃত হবেন।
ডা: নাজমুল আরো জানান, ‘ সরকারি যেকোনো জিনিস চালু করতে গেলে প্রশাসনিক কিছু জটিলতা থাকে। কিন্তু কিভাবে সেটি সমাধান করা যায়। সেটির বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সাথে কথাও বলেছি। এ বিষয়টি নিয়ে ঢাকায় গিয়ে মন্ত্রণালয় ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন দিবো। আমি আশাবাদি খুব অচিরেই আমরা এই প্রতিষ্ঠানটি চালু করতে পারব।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দফতর সূত্র জানায়, ছয় বছর আগে সদর হাসপাতালের ১ একর ৭৮ শতাংশ জমিতে ৩১ কোটি ৪৮ লাখ ৯২ হাজার ৮০৯ টাকা ব্যয়ে তিনতলা হাসপাতাল ভবন ও আবাসিক কোয়ার্টার নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু দাপ্তরিক জটিলতায় অলস পড়ে আছে ১০০ শয্যার এই শিশু হাসপাতাল। করোনাকালীন এটি বিশেষ ব্যবস্থায় চালু করা হয়েছিল।
গত ১০ মে রংপুরসহ দেশের ছয়টি এ ধরনের হাসাপাতাল চালুর নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। এ জন্য আগামী ২ জুনের মধ্যে পরিদর্শন করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।



