ক্রীড়া প্রতিবেদক
পল্টন ময়দানে উত্তর পূর্ব কোনে কৃত্রিমভাবে তৈরি বালুর মাঠ। এটি করা হয়েছিল বিচ কেন্দ্রিক খেলাগুলোর অনুশীলনের জন্য। এখন সেখানে চলছে বাংলাদেশ পুরুষ ও নারী কাবাডি দলের অনুশীলন। এপ্রিলে চীনের সানিয়ায় ২২-৩০ এপ্রিল হবে এশিয়ান বিচ গেমস। এই গেমসে অংশ নেবে বাংলাদেশ পুরুষ ও নারী কাবাডি দল। পুরুষ দল এখনো বিচ কাবাডিতে পদক জিততে পারেনি। তবে নারী দল বিচ এশিয়ান গেমসে দু’টি ব্রোঞ্জ জয় করেছে। সাউথ এশিয়ান বিচ গেমসের ব্রোঞ্জ পদক জেতা হয়েছে। এশিয়ান বিচ গেমসে ২০১০ ওমানে মাসকাটে ব্রোঞ্জ, ২০১২ সালে চীনের হাইয়াংয়ে ব্রোঞ্জ পদক জেতা। এর বাইরে ২০১১ সালে শ্রীলঙ্কার হাম্বানটোটায় সাউথ এশিয়ান বিচ গেমসে ব্রোঞ্জ জয়। তবে ২০১৪ থাইল্যান্ডের ফুকেটে এবং ২০১৮ সালে ভিয়েতনামের বিচ গেমসে পদক আসেনি। তাই এবার সেই পদক পুনরুদ্ধারের মিশন শ্রাবন্তী, বৃস্টি ও স্মৃতিদের। জানান কোচ মালেকা পারভীন। তিনি নিজেও আগের পদকগুলোর সাক্ষী। জানান, আমরা এবার পদক ফিরে পেতে চাই।
বিশ^কাপ কাবাডিতে তৃতীয় হয়েছিল বাংলাদেশ নারী দল। সেই টিমের খেলোয়াড়রাই এবারের দলে। তবে ম্যাটের বদলে এবার খেলতে হবে বালুতে। মালেকার মতে, এটা মানিয়ে নিতে হবে। আমরাতো এভাবেই মানিয়ে নিয়েছি।
পুরুষ দলের কোচ বাদশা মিয়া। তিনি এশিয়ান গেমসে ১৯৯৮, ২০০২ এবং ২০০৬ সালে বাংলাদেশকে পদক এনে দিয়েছেন তিনবার। এবার তার লক্ষ্য কোচ হিসেবে দলকে পদক এনে দেয়া। জানান, আমাদের আশা এবার সম্মানজনক রেজাল্ট হবে। পদক এবার পাবো।’ তবে মূল কাবাডি ও বিচ কাবাডির পার্থক্যটা তুলে ধরলেন জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক। জানান, মূল কাবাডিতে ১৩ মিটারে সাতজন খেলে। আর বিচ কাবাডিতে



