লেবাননে ইসরাইলি হামলায় নিহত বেড়ে ১১১৬

বাস্তুচ্যুত লাখো মানুষ

Printed Edition
বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেয়া এক শিশু। ইসরাইলি সেনাদের হামলায় ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে আসা বাস্তুচ্যুত লেবাননি পরিবারগুলো রাজধানীর পার্ক, স্কুল ও ফুটবল মাঠে তৈরি অস্থায়ী আশ্রয়ে দিন কাটাচ্ছে। নিরাপদ বাসস্থানের অভাবে অনেকেই রাস্তায় ও ভিড়ভাট্টা খোলা জায়গায় দিন-রাত কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন  : ইন্টারনেট
বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেয়া এক শিশু। ইসরাইলি সেনাদের হামলায় ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে আসা বাস্তুচ্যুত লেবাননি পরিবারগুলো রাজধানীর পার্ক, স্কুল ও ফুটবল মাঠে তৈরি অস্থায়ী আশ্রয়ে দিন কাটাচ্ছে। নিরাপদ বাসস্থানের অভাবে অনেকেই রাস্তায় ও ভিড়ভাট্টা খোলা জায়গায় দিন-রাত কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন : ইন্টারনেট

বিবিসি

মধ্যপ্রাচ্যের ইসরাইলি হামলা ক্রমেই ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। এরই মধ্যে লেবাননে প্রাণহানির সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ১১৬ জনে। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এই সংখ্যা নিশ্চিত করা হয়েছে।

শুধু প্রাণহানিই নয়, ইসরাইলি বর্বতায় আহতের সংখ্যাও আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। লেবাননের বিপর্যয় ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা দফতর জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত আহত হয়েছেন তিন হাজার ২২৯ জন। প্রতিনিয়ত হামলার কারণে এই সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে সাধারণ মানুষের জীবনে। নিরাপত্তাহীনতা ও লাগাতার হামলার মুখে দেশজুড়ে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন বিপুলসংখ্যক মানুষ। বাস্তুচ্যুত হয়েছে লাখো মানুষ। অনেকেই আশ্রয় নিয়েছেন অস্থায়ী ক্যাম্পে, আবার কেউ কেউ পার্শ্ববর্তী এলাকায় নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছেন। মানবিক সঙ্কট ক্রমেই তীব্র হয়ে উঠছে। এর আগে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানে হামলার পর পুরো মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এর জেরে আঞ্চলিক শক্তিগুলোর মধ্যে উত্তেজনা দ্রুত বাড়তে থাকে। পরবর্তীতে লেবাননের প্রভাবশালী সশস্ত্রগোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ইসরাইলকে লক্ষ্য করে হামলা চালালে পরিস্থিতি আরো জটিল আকার ধারণ করে। পাল্টাপাল্টি হামলা ও সংঘর্ষে লেবাননের বিভিন্ন এলাকা এখন কার্যত ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।