চট্টগ্রাম ব্যুরো
চট্টগ্রামের হালিশহর থানার আই ব্লক এলাকায় একটি বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে আগ্রাবাদ ও বন্দর ফায়ার স্টেশনের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় ২০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।
আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার জহিরুল ইসলাম জানান, সকাল ৯টার দিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। দ্রুত অভিযান চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।
জানা গেছে, এ ঘটনায় অন্তত পাঁচটি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন- নুর ইসলাম (৬৫), আজিজ (৬৫), আলমগীর (৬৫), রফিক (৫৫) ও নয়ন (৪৫)।
ক্ষতিগ্রস্তদের দেখতে গেলেন জামায়াত নেতারা অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য অধ্যক্ষ নুরুল আমীন। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান জামায়াতের চট্টগ্রাম মহানগরী সেক্রেটারি অধ্যক্ষ নুরুল আমীন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজ নেন এবং গভীর সমবেদনা জানান। এ সময় তিনি বলেন, মুহূর্তের মধ্যে একটি পরিবারের মাথা গোঁজার ঠাঁই ও জীবন-জীবিকার প্রয়োজনীয় সম্পদ আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়া অত্যন্ত বেদনাদায়ক।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর এ দুর্দিনে সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠন এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে আসতে হবে। জামায়াতে ইসলামীও তাদের পাশে দাঁড়াতে সাধ্যানুযায়ী সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দ্রুত পুনর্বাসন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন- চট্টগ্রাম মহানগরীর অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মুহাম্মদ উল্লাহ, হালিশহর থানা আমির ফখরে জাহান সিরাজী সবুজ, সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল হক, ডবলমুরিং থানার অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ইমরানুল হক, অ্যাডভোকেট শেখ জোবায়র মাহমুদ, মাওলানা মুহাম্মদ সোলায়মান, রুবেল হায়দারসহ স্থানীয় নেতারা।



