রাবিপ্রবিতে ‘হিট’ উপ-প্রকল্পের গবেষণা কর্মশালা অনুষ্ঠিত

Printed Edition

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবিপ্রবি) ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের উদ্যোগে ‘হিট’ (ঐঊঅঞ) উপ-প্রকল্পের আওতায় এক গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ভবন-১-এর সভাকক্ষে ‘রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার নির্বাচিত এলাকায় বাস্তুতন্ত্রের অবক্ষয় নিরূপণ এবং জীববৈচিত্র্য ও স্থানীয় জীবিকার ওপর এর প্রভাব’ শীর্ষক এই উদ্বোধনী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন রাবিপ্রবির ভিসি প্রফেসর ড. মো: আতিয়ার রহমান। তিনি পার্বত্য অঞ্চলের বাস্তুতন্ত্র পরিবর্তনের কারণগুলো চিহ্নিত করে তা থেকে উত্তরণের উপায় খোঁজার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। ভিসি বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে এই গবেষণাটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। কর্মশালায় উঠে আসা ইতিবাচক দিকগুলো আমরা দ্রুততম সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে বাস্তবায়নযোগ্য করে তুলতে চাই।’

বিভাগের চেয়ারম্যান ও প্রকল্প ব্যবস্থাপক ড. নিখিল চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় প্রকল্পের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সহকারী অধ্যাপক ড. সুপ্রিয় চাকমা। আলোচনায় জানানো হয়, এই গবেষণার মাধ্যমে রাঙ্গামাটি জেলায় বন উজাড়, জুম চাষ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট অবক্ষয় নিরূপণ করা হবে। এ ছাড়া জীববৈচিত্র্যের ডেটাবেস তৈরি, মৃত্তিকা ক্ষয় রোধ, বন পুনরুদ্ধার অঞ্চল শনাক্তকরণ এবং স্থানীয়দের জন্য টেকসই জীবিকার পথ অন্বেষণ করা এই প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য। প্রকল্পের সহকারী ব্যবস্থাপক সাদ্দাম হোসেন প্রকল্পের সংক্ষিপ্ত রূপরেখা তুলে ধরেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে হিট প্রজেক্ট, ঢাকার উপ-প্রকল্প পরিচালক প্রফেসর খুরশীদ আলম প্রকল্পের আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও প্রকিউরমেন্ট প্ল্যান যথাযথভাবে অনুসরণের পরামর্শ দেন। রাবিপ্রবি’র ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ জুনাইদ কবির প্রকল্পটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) ‘হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন’ (হিট) প্রকল্পের আওতায় দেশের পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে রাবিপ্রবি এই গবেষণা প্রকল্পটি অর্জন করে। যার আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ২০২৫ সালের ২৭ আগস্ট। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধানরা, প্রক্টর এবং সংশ্লিষ্ট গবেষক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তি।