যোগদান করেই গাছ কাটায় বিতর্কে বন কর্মকর্তা

Printed Edition

বাবুগঞ্জ (বরিশাল) সংবাদদাতা

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় সদ্য যোগদান করা বন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সামাজিক বনায়নের গাছ কাটার মৌখিক অনুমতি দিয়ে বিক্রির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। দায়িত্ব নেয়ার মাত্র এক সপ্তাহের মাথায় বন কর্মকর্তা খান মাসুম মোস্তফা কাওসারকে ঘিরে এই বিতর্ক শুরু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রহমতপুর ইউনিয়নের উত্তর রহমতপুর এলাকায় সড়কের পাশের একটি বড় আকাশমনি গাছ কাটছিলেন গাছ ব্যবসায়ী দুলাল হাওলাদার। গতকাল শনিবার সরেজমিন এর সত্যতা পাওয়া যায়। ব্যবসায়ী দুলাল দাবি করেন, বন বিভাগের প্ল্যান্টেশন মালি জাকির হোসেন তাকে গাছটি কাটার অনুমতি দিয়েছেন। তবে জাকির হোসেন গত ৩ মে বদলি হয়ে যাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

বর্তমান বন কর্মকর্তা কাওসার প্রথমে ঘটনাটি জানেন না বলে দাবি করলেও পরে সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন। তিনি দাবি করেন, গাছ কাটার কোনো লিখিত অনুমতি দেয়া হয়নি। তবে অফিসের এক পিয়ন হয়তো মৌখিকভাবে কিছু বলতে পারেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে গাছটি বিক্রির চেষ্টা হয়েছে। অভিযুক্ত মালি জাকির হোসেন এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ না করতে সাংবাদিকদের অনুরোধ জানান।

বাবুগঞ্জ ইউএনও আসমা উল হুসনা বলেন, সামাজিক বনায়নের গাছ কাটার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বন বিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।