পদত্যাগের পর প্রথম মুখ খুললেন দীপেন দেওয়ান

Printed Edition

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে পদত্যাগের পর প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছেন দীপেন দেওয়ান। রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে সৃষ্ট আবেগ, উদ্বেগ ও নানা প্রতিক্রিয়ার প্রোপটে জনগণের প্রতি শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

পাহাড়ি-বাঙালি সব সম্প্রদায়ের মানুষকে সম্প্রীতি ও সহাবস্থান বজায় রাখার অনুরোধ করেছেন সাবেক এই মন্ত্রী। বিএনপির প্রতি নিজের আনুগত্য পুনর্ব্যক্ত করে বলেছেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আমার শেষ ঠিকানা।’ তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে পদত্যাগের পর সৃষ্ট রাজনৈতিক আলোচনা ও জনমতের প্রোপটে ৩ জুন রাতে এক বিবৃতি দিয়েছেন রাঙ্গামাটির সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান।

বিবৃতির শুরুতে তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামের সর্বস্তরের জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে তার পদত্যাগকে কেন্দ্র করে রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ, রাজনৈতিক সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে যে আবেগ, উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে, সে বিষয়ে অবগত রয়েছেন।

দীপেন দেওয়ান বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের সব পাহাড়ি, বাঙালি এবং অন্যান্য সম্প্রদায়ের মানুষের প্রতি আন্তরিক আহ্বান হলো, সবাই যেন শান্ত থাকেন, ধৈর্য ধারণ করেন এবং আইনশৃঙ্খলা ও সম্প্রীতি বজায় রাখেন। কোনো ধরনের উসকানি, বিভ্রান্তি কিংবা সঙ্ঘাতের পথে না গিয়ে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্যরে পরিবেশ অক্ষুণœ রাখার আহ্বান জানাচ্ছি। তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম সবার এবং এ অঞ্চলের উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা ও শান্তি রার দায়িত্বও সবার। পাহাড়ি-বাঙালি নির্বিশেষে সব জনগণের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক আস্থা আরো সুদৃঢ় হোক।

বিবৃতিতে নিজের রাজনৈতিক পরিচয় ও আদর্শিক অবস্থানের বিষয়েও স্পষ্ট বক্তব্য দেন দীপেন দেওয়ান। তিনি বলেন, তার বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের একজন উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বাবার দেশপ্রেম, আদর্শ ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার শিা তার রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম প্রেরণা।

তিনি আরো উল্লেখ করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্নেহ, দিকনির্দেশনা ও নেতৃত্বে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) যোগ দিয়েছিলেন এবং রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত দলের একজন নিবেদিতকর্মী হিসেবে কাজ করে আসছেন।