কূটনৈতিক প্রতিবেদক
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির নাৎসি বাহিনীকে পরাজিত করার দিবস উপলক্ষে ঢাকায় রুশ দূতাবাস বিভিন্ন স্মারক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
রাশিয়ান দূতাবাস থেকে জানানো হয়, মহান দেশপ্রেমিক যুদ্ধে বিজয়ের ৮১তম বার্ষিকী উপলক্ষে ৯ মে দূতাবাসে স্কুলের শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষকদের সাথে মিলে একটি উদযাপনী সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। শিশুরা মহান দেশপ্রেমিক যুদ্ধ নিয়ে গান-বাজনা ও কবিতা আবৃত্তি করে। রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার খোজিন তাদের দেশের ইতিহাসের প্রতি শিক্ষার্থীদের শ্রদ্ধাপূর্ণ মনোভাব এবং অধ্যবসায়ের জন্য ধন্যবাদ জানান। শিক্ষার্থীরা বেশ কয়েক মাস ধরে এই অনুষ্ঠানের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে। এই উদযাপনে ‘স্মৃতির মোমবাতি’ এবং ‘স্মৃতির বাগান’-এর মতো দেশপ্রেমমূলক অনুষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই ধরনের অনুষ্ঠানগুলো দূতাবাসের একটি ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে।
দূতাবাস জানায়, প্রবীণ যোদ্ধাদের স্মৃতিকে সম্মান জানাতে, কূটনৈতিক মিশনের কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা ‘অমর রেজিমেন্ট’ শীর্ষক একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করেন, যা পারিবারিক গল্প বলার এক চমৎকার সুযোগ করে দেয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে রাশিয়ার বিজয় উপলক্ষে রাজধানীর গুলশানে মোটরসাইকেল ও গাড়ির র্যালি আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশে অবস্থিত রুশ দূতাবাস ও রুশ হাউসের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্কুল শিক্ষক ও শিক্ষার্থী এবং সোভিয়েত ও রুশ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকরা এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার খোজিন, রুশ হাউসের পরিচালক আলেকজান্দ্র খেলভনয়, স্বদেশী সমিতি ‘রোদিনা’-র চেয়ারপার্সন এলেনা বাস, সোভিয়েত অ্যালামনাই সমিতির প্রধান মিজানুর রহমান এবং মুক্তিযুদ্ধ অ্যাকাডেমি ট্রাস্টের চেয়ারম্যান আবুল আজাদ অংশগ্রহণকারীদের স্বাগত জানান। এই মোটরসাইকেল র্যালিটি একটি অনন্য ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে, যা প্রতি বছর রুশ ইতিহাসের প্রতি অনুরাগী এবং ১৯৪৫ সালে নাৎসি জার্মানির পরাজয়ে অবদান রাখা বীরদের স্মৃতিকে সম্মান জানাতে ইচ্ছুক ঢাকার বাসিন্দাদের একত্রিত করে।



