মহান একুশ ফব্রেুয়াররি একটি কবতিা পড়ছে সুজন। পাশে বসে আছে সুজনরে মা আনোয়ারা। সুজন এক মনে বা বার কবতিাটি মুখস্ত করার জন্য পড়ছ।ে সুজন চয়েে দখেল, তার মা কাঁদছ।ে অবুজ মনরে সুজন মার কান্না দখেে কবতিাটি মুখস্ত করা বন্ধ কর দলিো। মার কাছ এসে সুজন বলল, মা তুমি কাঁদছ কনে? সুজনরে কথায় আনোয়ারা বগেম তাড়াতাড়ি চোখরে পানি মুছে বলল- না, আমি কাঁদছি না। আমার চোখে কি যনে গয়িছেলি। তাই চোখ দয়িে পানি পড়ছলি। সুজন বলল- মা তুমি আমার কাছ লুকালে কী হব?ে আমি যখন কবতিাটি বারবার পড়ছেলিাম। তখন মাঝে মাঝে চয়েে দখেছলিাম তোমার মনটা কমেন যনে উদাস হয়ে গলে, এছাড়া তোমার চোখ দয়িে ফােঁটা ফােঁটা অশ্রু ঝরে পড়ছলি। তাছাড়া আরো লক্ষ করে দখেে আসছ।ি ফব্রেুয়ারি এলইে তুমি কমেন যনে গম্ভীর হয়ে যাও।
সুজনরে মা আনোয়ারা কোনো উত্তর খুঁজে পলে না। ভালো করে জানে ছোটদরে মন সব সময় কৌতূহলি থাক।ে তাই তার মন প্রশ্ন জগেে উঠছে আমার কান্না দখে।ে সুজনরে মা যখন এসব কথা চন্তিা করছ,ে তখন সুজন হাত ধরে বলল- মা তোমার এ কান্না রহস্য বলতে হব।ে তাছাড়া ফব্রেুয়ারি মাস এলইে তুমি গম্ভীর হয় যাও। তোমাকে আজ সত্যি বলতইে হব।ে আর যদি না বলো- আমি একুশে ফব্রেুয়াররি কথা ও তোমার কান্নার রহস্য বুঝতে পারব না। সুজনরে এ কথা শুনার পর সুজনরে মা আনোয়ারা কথাগুলো লুকাতে পারল না। তাই সুজনরে মা বলে উঠল- অবশ্যই আজ তোমাকে বলব খোকা। সুজন তুমি সবে মাত্র পড়ো অষ্টম শ্রণেীত।ে তাই তোমার একুশে ফব্রেুয়াররি কথা বশেি এবং আমার কান্নার রহস্য জানার কথা নয়। সুজন তুমি আজ শুনবইে। যখন আমার একুশে ফব্রেুয়াররি কছিু কথা ও আমার কান্না রহস্য। তা হলো- তোমাকে বলছ,ি খোকা। সুজন কছিুক্ষণ আগে যে কবতিাটি পড়ছলি,ে সটো কি উপলক্ষে লখো জানত।ে সুজন বলল- হ্যাঁ মা, আমি যে কবতিাটি পড়ছলিাম সইে কবতিাটি মহান একুশে ফব্রেুয়াররি উদ্দশেে লখো। হ্যাঁ ঠকি বলছ। এই মহান একুশে ফব্রেুয়ারি র্অথাৎ মহান ভাষা আন্দোলনরে উপরে অনকে কব,ি লখেক, গীতকিার, কবতিা, গল্প ও গান লখিছে।ে যাক সসেব কথা। তোমাকে যা বলব সটেি মহান একুশ ফব্রেুয়ারি সর্ম্পক।ে
একুশে ফব্রেুয়ারি আমাদর জীবন একটি স্মরণীয় অধ্যায়। এই দনিইে মাতৃভাষা হসিবেে ‘বাংলা ভাষা’ অধকিাররে লক্ষ্যে জীবন-মরণ যুদ্ধে পাকস্তিানি শাসক গোষ্ঠীর ওপর ঝাঁপয়িে পড়ছেলি বাংলার দামাল ছলেরো। এমনি একদনি শাসক পুলশিরে গুলতিে দামাল ছলেদেরে বুকরে রক্ত রঞ্জতি হয়ে উঠছেলি। রাস্তায় রক্তরে বন্যা বয়ে গয়িছেলি। এসব কথার মধ্যইে ফুঁপয়িে ফুঁপয়িে কঁেদে উঠল আনোয়ারা। সুজন বলল- মা কঁেদো না, বলো- সুজনরে মা বলল, খোকা সবচয়েে বড় বদেনাদায়ক য,ে তোর একমাত্র চাচাতো ভাই এ ভাষা আন্দোলনে শাসকগোষ্ঠী পুলশিরে গুলতি শহীদ হন। বলো কী মা? আমার চাচাতো ভাইও শহীদ হয়ছেে এ ভাষা আন্দোলন।ে হ্যাঁ, সুজন তোমার চাচাতো ভাই শহীদ হয় এ ভাষা আন্দোলন।ে আমাদরে দশে মাতৃভাষা বাংলা নয়িে যখন র্দুবার লড়াই শুরু হয়। তখন তোমার চাচাতো ভাই বশ্বিবদ্যিালয়রে ছাত্র। এ সময় আমার কাছে হাত খরচরে টাকা নয়িে বশ্বিবদ্যিালয়রে হোস্টলে চলে যায়। সে যাওয়াই শষে যাওয়া। তার পরই একুশে ফব্রেুয়ারি বহু ছাত্র, শক্ষিক, বুদ্ধজিীবী ও তোর চাচাতো ভাই মাতৃভাষা বাংলা রক্ষা করতে গয়িে শহীদ হয়ে যায়। এ কথা শুনার পর সুজনরে চোখ দয়িে পানি নমেে এলো। বলে উঠল সুজন- মা আমাদরে কাছ দুঃখ যে আমার চাচাতো ভাই নাই। কন্তিু শহীদর মা ও ভাই হয়ে আমরা র্গবতি। তাছাড়া এটি কম কথা নয়, আমার চাচাতো ভাইয় রক্ত মশিে আছে এ ভাষা আন্দোলনরে স্মৃত।ি হ্যাঁ সুজন, সত্যইি আমরা র্গবতি। একটি র্দীঘ নঃিশ্বাস ছাড়ল আনোয়ারা। সুজন বলল- আচ্ছা মা, ভাষা আন্দোলন কবে থকেে শুরু হয়। আমার জানার ইচ্ছা হচ্ছ।ে একটু বলো- ১৯৪৭ সাল প্রথম ভাগ থকেইে এ ভাষা আন্দোলন ভাবর্মযাদা ফুটে উঠছেলি। তখন ইংরজেদরে শাসন বদিায় হলো- শুরু হলো পাকস্তিান শাসকরে শাসন। সে সময় থকেে শুরু হয় র্উদু ভাষা। শাসক গোষ্ঠীর র্স্বাথবাদীরা তাদরে সুবধিা র্অজনর জন্য মাতৃভাষা বাংলাকে ধূলসিাৎ করে দয়িছেলি। এদকিে বাঙালি জাতরি বক্ষিুব্ধ ভাব দনি দনি ফুটে উঠতে লাগল তাদরে মাতৃভাষা বাংলা না বলায়। এভাবে র্দীঘ পাঁচ বছর রাষ্ট্রভাষা র্উদু ভাষার বপিক্ষ চরমভাব রূপ নয়ে ১৯৫২ সালরে দকি।ে এ র্দীঘ পাঁচ বছর ছাত্র, শক্ষিক ও বুদ্ধজিীবীরা প্রতবিাদ করে আসছলির্ উদু ভাষার বপিক্ষ।ে যখন শাসকরা এক জনভায় র্উদু ভাষা একমাত্র রাষ্ট্রভাষা থাকবে বলে ঘোষণা দয়ে। আর কী, তখনই শুরু হয় প্রতবিাদরে ঝড়।
তারপর ১৯৫২ সাল একুশে ফব্রেুয়ারি বরকত, জবার, রফকি, শফকি, সালাম একইসাথে তোমার চাচাতো ভাই আরো অনকে বুদ্ধজিীবী মলিে রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই বলষ্ঠি কণ্ঠে পরষিদ ভবন থকেে বলতে বলতে এগয়িে আসছলি। যখন তারা ঠকি ঢাকা মডেক্যিাল কলজে হোস্টলেরে কাছে এলো।
অমনি শাসকগোষ্ঠীর বাহনিী পুলশি র্ববরোচতি গুলর্বিষণ শুরু করল। আর বাংলার দামাল ছলেরো মাটতিে লুটয়িে পড়ল। পচিঢালা রাস্তা রক্তে রঞ্জতি হয়ে উঠল। সুজন, সে জাগায় আজ-স্মৃতরি শহীদ মনিার গড়ে উঠছ।ে মা আমরা প্রতি বছর প্রভাতফরেরি মাধ্যমে ফুলরে মালা দইে এই শহীদ মনিার।ে সুজনরে মা বলল- সুজন, মহান ভাষা আন্দোলনে অনকে ঘটনা, এটি বলে এখন শষে করা যাবে না। সুজন বলল- সত্যইি মা, মহান ভাষা আন্দোলন আমাদরে ইতহিাস বরিল ঘটনা। সুজন তার মার হাত ধরে বলল- মা তোমাকে কষ্ট দলিাম, এই সব স্মৃতি মনে করে দয়োর জন্য। না সুজন, অত্যন্ত আমার কাছে আমার কান্নার রহস্যও ভাষা আন্দোলনরে একুশে ফব্রেুয়াররি কথা। হ্যাঁ মা, সুজন তুমি যখন আরো বড় হবে তখন একুশে ফব্রেুয়াররি তাৎর্পয জানতে পারব।ে একটি র্দীঘ নঃিশ্বাস ছড়েে সুজনর মা আনোয়ারা বলে উঠল- বছর ঘুরে যখন একুশে ফব্রেুয়ারি মাস আস,ে তখন আমার ও সবার মন স্মৃততিে কাঁদ।ে ম



