চট্টগ্রাম ব্যুরো
অধ্যক্ষ আবু তাহের (রাহিমাহুল্লাহ) ইসলামী আন্দোলনের এক বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী এবং অনুসরণীয় নেতৃত্বের প্রতিবিম্ব ছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ও সাবেক এমপি মাওলানা আ ন ম শামসুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘তার হাত ধরেই আমরা ইসলামী আন্দোলনে এসেছি। তিনি এমন একজন পণ্ডিত ছিলেন, যার আলোচনা শুনে মানুষ ইসলামী আন্দোলনের দিকে আসতেন। আজকে যারা আন্দোলনের বড় বড় নেতা, তারা সবাই মাওলানা আবু তাহেরের হাতে গড়া জনশক্তি।’
গত শনিবার বিকেলে ‘দি কিং আনোয়ারা কনভেনশন হলে’ অনুষ্ঠিত অধ্যক্ষ আবু তাহের স্মারক গ্রন্থ ‘স্মৃতিতে অমøান’-এর প্রকাশনা ও মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে আরো বলেন, ‘ওনি খুবই সরল জীবনযাপন করতেন। এত বড় একজন নেতার এমন সাধারণ জীবনযাপন সত্যিই বিরল। তিনি একজন জাতীয় নেতা হিসেবে নেতৃত্ব দিয়েছেন, যার প্রভাব শুধু রাজনীতিতেই নয়, বরং শিক্ষাঙ্গনসহ বিভিন্ন সেক্টরে পড়েছে।’
আনোয়ারা উপজেলা জামায়াতের আমির বীর মুক্তিযোদ্ধা মাস্টার আবদুল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই স্মরণ সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগরী আমির নজরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য অধ্যাপক জাফর সাদেক, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আমির আনোয়ারুল আলম চৌধুরী, নেজামে ইসলাম পার্টি চট্টগ্রাম মহানগরী আমির মাওলানা জিয়াউল হাসান জিয়া, চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ জহিরুল ইসলাম, এনসিপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য জোবাইরুল ইসলাম মানিক, চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট শামসুদ্দিন আহমদ মির্জা এবং চট্টগ্রাম পশ্চিম জেলা শিবিরের সভাপতি ফরমানুর রহমান জাহিন।
স্মারক গ্রন্থ প্রকাশনা পরিষদের সদস্যসচিব সিরাজুল ইসলাম, সদস্য মোহাম্মদ আবুল হাছান খোকা ও সদস্য মোহাম্মদ হাবীবুল্লাহর যৌথ সঞ্চালনায় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন- চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা বদরুল হক, মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ উল্লাহ, জেলা সাংগঠনিক সেক্রেটারি অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান চৌধুরী, বিএনপির সাবেক উপজেলা সেক্রেটারি হুমায়ূন কবির আনসার, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা ইসমাইল হক্কানী, ইঞ্জিনিয়ার শহীদুল মোস্তফা ও আ ক ম ফরিদুল আলম।
এ ছাড়া বাঁশখালী উপজেলা আমির অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইসমাইল, বন্দর থানা আমির মাহমুদুল আলম, সদরঘাট থানা আমির অধ্যাপক আবদুল গফুর এবং পাঁচলাইশ থানা আমির ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুল হাছান রুমীসহ স্থানীয় নেতারা বক্তব্য দেন।



