নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীর শান্তিনগরের হাবীবুল্লাহ বাহার ইউনিভার্সিটি কলেজের বর্তমান গভর্নিং বডির সভাপতি ড. মো: তৌফিকুল ইসলাম (মিথিল) এবং অধ্য কর্নেল (অব:) ইমরুল কায়েসের বিরুদ্ধে নিজের ব্যক্তিগত কাজে কলেজের সাধারণ তহবিল ব্যবহার, কেনাকাটায় বড় অঙ্কের টাকা লোপাট এবং টেন্ডার বাণিজ্যের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। শিার্থীরা তাদের অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদে অপসারণের দাবি জানিয়ে মানববন্ধন করেছে। তবে এ অধ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আর গভর্নিং বডির প থেকে আগামী শনিবারের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত অপো করার অনুরোধ জানিয়েছে শিার্থীদের।
এমন পরিস্থিতিতে গতকাল সকালে হাবীবুল্লাহ বাহার ইউনিভার্সিটি কলেজের সামনের সড়কে সাধারণ শিার্থীরা মানববন্ধন পালন করেন।
এ নিয়ে অধ্য কর্নেল (অব:) ইমরুল কায়েস বলেন, এরা সাধারণ শিার্থী নয়, একটি বিশেষ শ্রেণী। ওই শ্রেণীর স্বার্থে ব্যাঘাত ঘটেছে। কেনাকাটায় স্বচ্ছতা আনা হয়েছে। অশুভ চক্র প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিকতা চায় না। তিনি আরো বলেন, প্রিন্সিপালের সিগনেচারে কোনো টাকা উঠে না। ছাত্রদের ক্যাশ টাকা দেয়ার কোনো সুযোগই নেই। ছাত্রদের ব্র্যাক ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা জমা দিতে হয়।
শিার্থী আসাদুজ্জামান বলেন, হাবীবুল্লাহ বাহার কলেজের অধ্যরে নিয়োগ অবৈধ। কারণ তিনি চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত, যা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনবহির্ভূত। নিজের কাজের জন্য তিনি কলেজের অর্থ ব্যবহার করেন। কেনাকাটায় বড় অঙ্কের টাকা লোপাট এবং টেন্ডার বাণিজ্যের সাথে জড়িত। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিমালা লঙ্ঘন এবং হাইকোর্টের নির্দেশনা উপো করে তাকে পদে বহাল রাখায় গভর্নিং বডির সভাপতিকে পদত্যাগ করতে হবে।



