সঙ্গীত জীবনের রজত জয়ন্তীতে তানজিনা রুমা

Printed Edition
সঙ্গীত জীবনের রজত জয়ন্তীতে তানজিনা রুমা
সঙ্গীত জীবনের রজত জয়ন্তীতে তানজিনা রুমা

বিনোদন প্রতিবেদক

বাংলাদেশের গানের ভুবনের নন্দিত শ্রোতাপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী তানজিনা রুমা তার সঙ্গীত জীবনের চলার পথে ‘রজত জয়ন্তী’ সময়কাল পার করছেন। পেশাগতভাবে বাংলাদেশের সঙ্গীতাঙ্গনে লক্ষ্মীপুরের মেয়ে তানজিনা রুমার যাত্রা শুরু হয় ২০০১ সালে প্রকাশিত প্রথম মৌলিক গানের অ্যালবাম ‘বন্ধু তুমি কোথায়’ দিয়ে। প্রথম অ্যালবাম দিয়েই শ্রোতাদের ভালোবাসায় সিক্ত হন তিনি। এরপর বছরের পর বছর রুমার একক অ্যালবমা ‘মেঘের দেশে’, ‘নীল জোছনা’, ‘লুকোচুরি’, ‘সুরের ছোঁয়া’সহ আরো চারটি অ্যালবাম প্রকাশিত হয়। গত ঈদে রুমার কণ্ঠে ‘জেটল্যাক ভালোবাসা-টু’ এবং ‘যৌবন’ শিরোনামেরও দু’টি গান প্রকাশিত হয়। আর এবারের ঈদেও প্রকাশ পেতে যাচ্ছে তার কণ্ঠে নতুন মৌলিক গান ‘তারপর’। গানটি লিখেছেন ইতি রহমান সুর সঙ্গীত করছেন প্রমিথিউস ব্যান্ডখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী খালিদ আতাউল করিম বিপ্লব। গানটি বিপ্লবেরই ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ পাবে। নতুন গানটি নিয়ে ভীষণ আশাবাদী রুমা। বাংলাদেশের সিনেমাতেও প্লে-ব্যাক করেছেন রুমা। তার কণ্ঠে সিনেমার জনপ্রিয় গানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ‘দেখনা ও রসিয়া’, ‘তুমি বলো আমি বলি কবুল কবুল’,‘চল তুলি সেলফি’ ইত্যাদি। মোট সাত শত গান গেয়েছেন তিনি সিনেমায়। ওস্তাদ ফুল মোহাম্মদ, সুধীন দাশ, নীলুফার ইয়াসমিন, শিপ্রা বাসু ও অনিল কুমার সাহার কাছে নানান সময়ে তিনি গানে তালিম নিয়েছেন। দেশের বাইরে তার প্রথম স্টেজ শো সুইডেন, ডেনমার্ক, ফিনল্যাণ্ডে। এরপর আরো বহু দেশে তিনি স্টেজ শোতে গান গেয়ে বাংলা ভাষাভাষী শ্রোতা দর্শককে মুগ্ধ করেছেন। রুমার বাবা মো: মোসলেহ উদ্দিন ভুঁইয়া ও মা মনোয়োরা বেগম। দীর্ঘ পঁচিশ বছরের সঙ্গীত জীবন প্রসঙ্গে তানজিনা রুমা বলেন,‘আমি বিনয়ের সাথে বলতে চাই যে, গানের ভুবনে পেশাগতভাবে আমার পথচলা পঁচিশ বছর হলেও আমার কাছে বারবারই মনে হয় এখনো আমি শিল্পীই হতে পারিনি। একজন শিল্পী হিসেবে প্রাপ্তির খাতাটা শূন্য। আবার আমার এটাও মনে হয় যে যদি প্রাপ্তি চলে আসে তাহলে মনে হয় শিল্পী হিসেবে ক্ষুধাটা আর থাকে না। যে কারণে আমি প্রতিনিয়তই ভালো ভালো গান করার চেষ্টা করছি। যেমন তারপর গানটি নিয়ে আমি ভীষণ আশাবাদী। আমি কৃতজ্ঞ আমার সকল ওস্তাদদের প্রতি, তাদের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার জানার সুযোগ হয়েছে বলে কিছুটা হলেও জেনে বুঝে গান গাইতে পারছি। তবে আরো অনেক অনেক শেখার আছে। শেখারতো আসলেই শেষ নেই। কৃতজ্ঞ আমার সকল ভক্ত শ্রোতাদের প্রতি, তারা আমাকে অনুপ্রেরণা দিয়ে আসছেন শুরু থেকেই।

শুধু এতোটুকুই চাই গানে গানেই যেমন জীবনটা সুন্দরভাবে পার করে দিতে পারি।’