ক্রীড়া ডেস্ক
ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে অভিজ্ঞতার ওপর ভরসা করে আর্জেন্টিনার স্কোয়াড ঘোষণা করেছেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। মহাতারকা লিওনেল মেসিকে নিয়েই বিশ্বকাপ ধরে রাখার মিশন শুরু করবে আলবিসেলেস্তেরা। কাতারে শিরোপা জয়ী দলটির ১৭ জনকে উত্তর আমেরিকা আসরে রেখেছেন কোচ। ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপে খেলবেন ৩৮ বছর বয়সী মেসি।
আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপে শিরোপা ধরে রাখার মিশনে নামার আগে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সারতে দু’টি আন্তর্জাতিক প্রীতিম্যাচ খেলবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার। যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচ দু’টি। মেগা এই টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগে এই দু’টি প্রস্তুতি ম্যাচ লিওনেল স্কালোনির শিষ্যদের জন্য নিজেদের ঝালিয়ে নেয়ার শেষ সুযোগ। ইতোমধ্যে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে নামার আগে প্রস্তুতি ম্যাচের সূচিও ঘোষণা করেছে তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ৬ জুন টেক্সাসের কলেজ স্টেশনের কাইল ফিল্ড স্টেডিয়ামে হন্ডুরাসের মুখোমুখি হবে মেসির দল। ম্যাচটি হবে বাংলাদেশ সময় ৭ জুন ভোর ৫.৩০ মিনিটে। এরপর ৯ জুন আলাবামার জর্দান-হেয়ার স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইউরোপের দল আইসল্যান্ড। এই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ সময় ১০ জুন সকাল ৬টায়। দু’টি প্রস্তুতি ম্যাচে আর্জেন্টিনার হয়ে লিয়ান্দ্রো পারদেসের খেলার সম্ভাবনা কম। ডান পায়ের পেশির সমস্যায় মাঠের বাইরে ছিটকে গেছেন বোকা জুনিয়র্সের এই মিডফিল্ডার।
টিওয়াইসির খবর অনুযায়ী, বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচেও অনিশ্চিত পারদেসের খেলা। ইউনিভার্সিড ক্যাটোলিকার বিপক্ষে হেরে কোপা লিবার্তাদোরেস থেকে বিদায় নেয় বোকা। গত ২৯ মে’র সেই ম্যাচেই দলটির অধিনায়ক পারদেসকে নিয়ে জাগে শঙ্কা।
ম্যাচ শেষে পারেদেস জানান, ‘সপ্তাহজুড়েই হ্যামস্ট্রিংয়ে সমস্যায় ভুগছিলাম আমি। কিন্তু এই ম্যাচ মিস করার সুযোগ ছিল না, আমি বসে থাকতে চাইনি। কোচ আমাকে বলেছিলেন নিজের যতœ নিতে, নিজের প্রতি সৎ থাকতে। এটা এমন ম্যাচ নয়, যেটাতে আমি বাইরে থাকতে পারতাম।’
চিকিৎসকদের ধারণা, সেরে উঠতে তিন সপ্তাহের মতো সময় লাগবে পারদেসের। এতে নিশ্চিতভাবেই হন্ডুরাস (৬ জুন) ও আইসল্যান্ডের (৯ জুন) বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে খেলা হবে না বিশ্বকাপজয়ী এই মিডফিল্ডারের। আগামী ১৬ জুন আলজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ যাত্রা শুরুর ম্যাচেও তার খেলা নিয়ে জেগেছে শঙ্কা।
আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ স্কোয়াড : গোলরক্ষক- এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, হেরোনিমো রুলি, হুয়ান মুসো; ডিফেন্ডার- লিওনার্দো বালের্দি, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, নাহুয়েল মলিনা, গঞ্জালো মনটিয়েল, ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো, নিকোলাস ওতামেন্দি, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ, ফাকুন্দো মেদিনা; মিডফিল্ডার- লিয়ান্দ্রো পারদেস, আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টর, রদ্রিগো ডি পল, এনজো ফার্নান্দেজ, ভ্যালেন্তিন বার্কো, এক্সেকিয়েল পালাসিওস, জিওভানি লো সেলসো; ফরোয়ার্ড- লিওনেল মেসি, জুলিয়ানো সিমিওনে, নিকোলাস পাস, থিয়েগো আলমাদা, নিকোলাস গঞ্জালেস, হোসে ম্যানুয়েল লোপেস, জুলিয়ান আলভারেজ ও লাউতারো মার্টিনেজ।



