বিশেষ সংবাদদাতা
প্রবাস থেকে দেশের পথে ডাকঘরের বক্সে রয়েছে ৩ লাখ ৮১ হাজার ৬৮৮টি পোস্টাল ব্যালট। প্রবাসী বাংলাদেশীরা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়ে সেগুলো সংশ্লিষ্ট পোস্ট বক্সে জমা দিয়েছেন। ৪ লাখ ৩২ হাজার ৯৮৯ জন প্রবাসী ভোটার ভোট দিয়েছেন। বুধবার দুপুর পর্যন্ত দেশে এসে পৌঁছেছে প্রায় ৩০ হাজার পোস্টাল ব্যালট। ওসিভি ও আইসিপিভি প্রকল্প পরিচালক ড. সালীম আহমাদ খান জানান, তেজগাঁও ডাক বিভাগের মেইলিং সেন্টারে এসব এসে পৌঁছাচ্ছে। তবে এখনো রিটার্নিং অফিসারের কাছে এসব পাঠানো শুরু হয়নি।
ইসির দেয়া তথ্যানুযায়ী, ভোট প্রদানের পর ডাকবক্স হয়ে দেশে আসার অপেক্ষায় পোস্টাল ব্যালট, সৌদি আরবে এক লাখ ২৩ হাজার ৩৬৭টি, মালয়েশিয়ার ৩৫ হাজার ২৩৪টি, কাতারে ৩৭ হাজার ৫৫২টি, ওমানের ৩৩ হাজার ৯১৪টি, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১৮ হাজার ৭৯৩টি। এ ছাড়া কুয়েতে ১৯ হাজার ৬৩৭টি, ইউএইতে ১৪ হাজার ৫৮৩টি, যুক্তরাষ্ট্রের ১০ হাজার ৭৪২টি, ইতালিতে ১০ হাজার ১০৭টি, বাহরাইনে ১২ হাজার ৯১৫টি, সিঙ্গাপুরে ৯ হাজার ২৭৩টি, কানাডায় ৬ হাজার ৫৯১টি, দক্ষিণ কোরিয়াতে ৬ হাজার ৯৯৩টি, অস্ট্রেলিয়াতে ৪ হাজার ১৯১টি, মালদ্বীপে ৫ হাজার ৩২টি, জাপানে ৩ হাজার ৯৯৬টি, ফ্রান্সে ৩ হাজার ৯৮৪টি, পর্তুগালে ৪ হাজার ৩০৭টি, জার্মানিতে ৩ হাজার ৩২০টি পোস্টাল ব্যালট এখন ডাকবক্সে।
ড. সালীম আহমাদ খান জানান, পোস্টাল ব্যালট সংশ্লিষ্ট দেশে পৌঁছেছে সাত লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি। প্রবাসী ভোটার ব্যালট গ্রহণ করেছেন ৪ লাখ ৯৯ হাজার ৩২৮টি। আর ৪ লাখ ৩২ হাজার ৯৮৯ জন প্রবাসী ভোটার ভোট দিয়েছেন।
কেন্দ্রের শৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ নির্দেশনা
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের শেষ সময়ে কেন্দ্রগুলোতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন বিকেলের দিকে ভোটারদের সম্ভাব্য বাড়তি চাপ ও ভিড় সামলাতে মাঠপর্যায়ের রিটার্নিং কর্মকর্তাদের প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। গত মঙ্গলবার ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন সই করা এক চিঠিতে এই নির্দেশনা পাঠানো হয়।
ইসির ওই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ভোটগ্রহণের দিন বিকেলের দিকে কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। শেষ মুহূর্তে ভোটাররা যাতে সুশৃঙ্খলভাবে এবং কোনো বাধা ছাড়াই ভোট দিতে পারেন, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সাথে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
এ ছাড়াও বলা হয়েছে, ভোটারদের নির্বিঘœ চলাচল ও লাইনে সুশৃঙ্খল অবস্থান বজায় রাখা। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলায় পুলিশ, আনসার ও অন্যান্য বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা। রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের ভোটকেন্দ্রের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের কথা বলা হয়েছে।


