যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে সম্মত ইসরাইল ও লেবানন

Printed Edition

দ্য গার্ডিয়ান

ইসরাইল ও লেবানন সব ধরনের পারস্পরিক শত্রুতার অবসান ঘটিয়ে একটি আনুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন করতে চূড়ান্তভাবে সম্মত হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসনের প থেকে এই যুগান্তকারী তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে, যা ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান চতুর্মুখী যুদ্ধের অবসান ঘটানোর েেত্র একটি বৃহত্তর শান্তি চুক্তির আশাকে আরো জোরদার করেছে।

বুধবার ওয়াশিংটন ডিসিতে ইসরাইলি ও লেবানিজ উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের মধ্যে এক নিবিড় আলোচনার পর মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সংক্রান্ত একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে। প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এই গুরুত্বপূর্ণ ইসরাইল-লেবানন যুদ্ধবিরতিটি মূলত ইরানের মিত্র হিসেবে পরিচিত লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর প থেকে ইসরাইলি ভূখণ্ডে রকেট ও পেণাস্ত্র গোলাবর্ষণ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করার ওপর নির্ভর করছে। একই সাথে দণি লিটানি সেক্টরের সীমান্ত এলাকা থেকে হিজবুল্লাহর সব সামরিক কর্মীকে স্থায়ীভাবে সরিয়ে নেয়ার শর্তের ওপরও এই চুক্তিটি কঠোরভাবে নির্ভরশীল করা হয়েছে।

অন্যদিকে ইরান স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে তেহরানের যেকোনো শান্তি চুক্তির অংশ হিসেবে ইসরাইল ও লেবাননের এই রক্তয়ী লড়াইয়ের সম্পূর্ণ অবসান ঘটাতে হবে।

যুদ্ধবিরতি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই লেবাননে ইসরাইলি হামলা

এএফপি জানায়, ওয়াশিংটনে আলোচনার পর ইসরাইল ও লেবানন শর্তসাপে যুদ্ধবিরতি কার্যকরে সম্মত হওয়ার ঘোষণা আসার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইসরাইল গতকাল বৃহস্পতিবার দণি লেবাননে বিমান হামলা চালিয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এ খবর জানিয়েছে।

লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ‘ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ)’ জানায়, দণিাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে সড়ক ল্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এর মধ্যে অন্তত একটি হামলায় হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার সকালে ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানায়, দেশটির উত্তরাঞ্চলে বিমান হামলার সতর্কসঙ্কেত বেজে ওঠে। একটি ঘটনায় ‘সন্দেহজনক আকাশযান’ শনাক্ত করা হলেও, পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। আরেকটি ঘটনা পরে ভুয়া সতর্কতা হিসেবে চিহ্নিত হয়।