বিনোদন প্রতিবেদক
রুনা লায়লা, বাংলাদেশের গানের গর্ব, বাংলাদেশের সঙ্গীতাঙ্গনের জীবন্ত কিংবদন্তি। একজন রুনা লায়লা বিশ্ব সঙ্গীতাঙ্গনেরও গর্ব। বিগত ষাট বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি বিরতিহীনভাবে গান গেয়েই যাচ্ছেন। আবার বেশ কয়েক বছর হলো তিনি একজন সুরকার হিসেবেও কাজ করছেন। গায়িকা হিসেবে তিনি বেশ কয়েকবার শ্রেষ্ঠ সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। সিনেমাতে গানের সুর করেই তিনি সুরকার হিসেবেও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। নায়ক প্রযোজক পরিচালক আলমগীর পরিচালিত ‘একটি সিনেমার গল্প’ সিনেমাতে সুরকার হিসেবে কাজ করেই রুনা লায়লা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হন। বাংলা, উর্দু, হিন্দিসহ বহু ভাষায় গান গেয়েছেন তিনি। বাংলাদেশের বহু সিনেমায় যেমন গান গেয়েছেন তিনি, ঠিক তেমনি বহু আধুনিক গান, দেশের গানও গেয়েছেন। তবে বাংলা গানের মধ্যে তার নিজের সবচেয়ে প্রিয় তিনটি গান হচ্ছে- যখন আমি থাকব না কো আমায় রেখো মনে, বন্ধু ওগো আমায় খুঁজো সুরের আলাপনে; বুকে আমার আগুন জ্বলে, জ্বলে যেতে দাও, চোখের জলে তুমি তারে কেন যে নেভাও এবং যখন থামবে কোলাহল ঘুমে নিঝুম চারিদিক। এছাড়াও আরো বেশ কিছু নিজের গাওয়া প্রিয় গান রয়েছে। তবে এই তিনটি গান তার সবচেয়ে বেশি প্রিয়। রুনা লায়লা বলেন, ‘সত্যি বলতে কী সিনেমাতে যেমন অনেক গান গেয়েছি, সিনেমার বাইরেও বেশ কিছু আধুনিক গানও গেয়েছি। তার মধ্যে আমার সবচেয়ে প্রিয় এই তিনটি গান। এই প্রজন্মের অনেকেই স্টেজ শোতে , টিভি শোতে প্রায়ই গেয়ে থাকে। আমি মন দিয়ে তাদের গান শুনি। প্রত্যেকেই চেষ্টা করে নিজের সেরাটা দিয়ে গাইবার। তাদের জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা রইলো।’ এদিকে এরই মধ্যে গত ২২ নভেম্বর রাজধানীর রেডিশনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন। গত ১৭ নভেম্বর তারই জন্মদিনে কোক স্টুডিও থেকে প্রকাশিত হয় নতুন সঙ্গীতায়োজনে তার কণ্ঠের অন্যতম জনপ্রিয় গান ‘দামা দম মাস্ত কালান্দার’ গানটি। রুনা লায়লার সুরেও অনেকেই গান গেয়েছেন। আশা ভোসলে, রাহাত ফতেহ আলী খান, আদনান সামী’সহ বাংলাদেশের আঁখি আলমগীর, হৈমন্তী রক্ষিত’সহ আরো অনেকে। রুনা লায়লাতে অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলাদেশে তার পরবর্তী সময়কালে অনেক শিল্পীই সঙ্গীতকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়ে সঙ্গীতাঙ্গনে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করেছেন।



