আসন্ন বাজেটে কার্ডের পরিধি বৃদ্ধি পাবে : সমাজকল্যাণমন্ত্রী

Printed Edition
সমাজসেবা অধিদফতরে কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আবু জাফর মো: জাহিদ হোসেন :  পিআইডি
সমাজসেবা অধিদফতরে কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আবু জাফর মো: জাহিদ হোসেন : পিআইডি

নয়া দিগন্ত ডেস্ক

সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, আসন্ন বাজেটে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষককার্ড ও ধর্মীয় খাতে কাজের পরিধি বৃদ্ধি পাবে। সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে এবং জটিল রোগের চিকিৎসার অনুদান বাড়িয়ে দ্বিগুণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

গতকাল মঙ্গলবার আগারগাঁও সমাজসেবা কার্যালয়ে সমাজসেবা অধিদপ্তরের কার্যক্রমের ক্রমবিকাশে বিভাগীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, বিএনপির নির্বাচনি মেনিফেস্টো’ এখন জাতীয় দায়িত্বে পরিণত হয়েছে। আগামী বছর প্রায় ৪০ লাখ ২০ হাজার মানুষকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে। এছাড়া, এতিম শিশুদের শুধু আশ্রয় নয় দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার।

তিনি আরো বলেন, ক্যানসার, দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগ, লিভার ডিজিজ, থ্যালাসেমিয়া ও জন্মগত হৃদরোগসহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য অনুদানের পরিমাণ বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে এ খাতে বরাদ্দ ৩০০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬০০ কোটি টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানান।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রত্যেক মন্ত্রণালয়কে নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের নির্দেশনা দিয়েছেন। সে অনুযায়ী সরকারের অন্যতম ফ্ল্যাগশিপ কর্মসূচি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নের কাজ চলছে।

তিনি বলেন, এ কর্মসূচির পাইলটিংয়ের দ্বিতীয় ধাপ পর্যন্ত সম্পন্ন হয়েছে। জুন মাসের মধ্যেই তৃতীয় ধাপও শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বর্তমানে ৮০ হাজার পরিবারের মধ্যে কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ভবিষ্যতে দেশের প্রতিটি পরিবারের কাছে এ সেবা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির প্রসঙ্গ তুলে জাহিদ হোসেন বলেন, আগে দুস্থ ভাতা, বিধবা ভাতা, এতিমদের জন্য ক্যাপিটেশন গ্র্যান্ট এবং প্রতিবন্ধীদের বিভিন্ন সহায়তা দেওয়া হলেও এখন প্রায় সব ক্ষেত্রেই ভাতার পরিমাণ ও উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। সরকারের আর্থিক সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও সামাজিক খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির চেষ্টা করা হচ্ছে।

সভায় সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে অনেক প্রতিষ্ঠান থাকলেও সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। নতুন কর্মপরিকল্পনায় সমন্বয়ের প্রতি জোর দিয়ে সেবার গুনগত মান বাড়াতে কাজ কররে সরকার।