ক্রীড়া প্রতিবেদক
আগামীকাল থেকে মাঠে গড়াবে ওয়ানডে ফরম্যাটের বিসিএল। পাকিস্তান সিরিজকে সামনে রেখে প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এবার লাল বলের পরিবর্তে ৫০ ওভারের ক্রিকেটে আয়োজন করা হয়েছে এই টুর্নামেন্ট। চার জোনে বিভক্ত হয়ে জাতীয় দল ও সিনিয়র পর্যায়ের ক্রিকেটাররা অংশ নিচ্ছেন ১২তম এ আসরে; যা নির্বাচক ও কোচদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ওয়ানডে ফরম্যাটের এই বিসিএল শুধু একটি ঘরোয়া টুর্নামেন্ট নয়, বরং জাতীয় দলের দরজায় কড়া নাড়ার বড় সুযোগ। আগামীকাল সকাল ৯টায় বগুড়া শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে নর্থ জোন ও ইস্ট জোন। একই সময়ে রাজশাহীর জেলা স্টেডিয়ামে লড়বে সাউথ জোন ও সেন্ট্রাল জোন।
সাউথ জোনের নেতৃত্বে থাকছেন মেহেদী হাসান মিরাজ, নর্থ জোনের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ইস্ট জোনের দায়িত্বে আছেন ইয়াসির আলী চৌধুরী রাব্বি এবং সেন্ট্রাল জোনকে নেতৃত্ব দেবেন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। চার অধিনায়কের কাঁধে থাকছে নিজ নিজ জোনকে এগিয়ে নেয়ার দায়িত্ব, পাশাপাশি ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স দিয়েও নজর কাড়ার সুযোগ।
শুক্রবার সব দলের ক্রিকেটাররা রাজশাহী ও বগুড়ায় পৌঁছেছেন। ইতোমধ্যে অনুশীলন শুরু হয়েছে এবং দলগুলো ম্যাচের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছে। পাকিস্তান সিরিজের আগে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ম্যাচ পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নেয়া, ব্যাটিং-বোলিং পরিকল্পনা ঝালিয়ে নেয়া এবং ফিটনেস যাচাইয়ের সুযোগ এনে দিচ্ছে এই টুর্নামেন্ট।
জাতীয় দলের কোচিং স্টাফও সরাসরি মাঠে উপস্থিত থাকছেন। প্রধান কোচ ফিল সিমন্স ও পেস বোলিং কোচ শন টেইট ইতোমধ্যে রাজশাহীতে অবস্থান করছেন। গতকাল টেইট বোলারদের নিয়ে আলাদা করে কাজ শুরু করেছেন। পাশাপাশি সিনিয়র কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ও স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদও মাঠে থেকে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স পর্যবেক্ষণ করেছেন।
চার জোনের কোচিং প্যানেলেও রয়েছেন অভিজ্ঞ মুখ। নর্থ জোনের দায়িত্বে আছেন হান্নান সরকার ও তারেক আজিজ খান। ইস্ট জোনে কোচ হিসেবে কাজ করছেন রাজিন সালেহ ও তালহা জুবায়ের। সাউথ জোনের দায়িত্বে রয়েছেন মোহাম্মদ আশরাফুল ও সাইফুল ইসলাম খান। সেন্ট্রাল জোনকে কোচিং করাচ্ছেন মিজানুর রহমান বাবুল ও তুষার ইমরান।
বিসিএল ৪ দলের স্কোয়াড
ইস্ট জোন : পারভেজ হোসেন ইমন, জাকির হাসান, অমিত হাসান, মুমিনুল হক, ইয়াসির আলী রাবিব, শামীম হোসেন পাটোয়ারি, শাহাদাত, আসাদুল্লাহ হিল গালিব, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, তানজিম হাসান সাকিব, খালেদ আহমেদ, নাসুম আহমেদ, নাঈম হাসান ও নাইম হাসান সাকিব।
নর্থ জোন : তানজিদ হাসান তামিম, হাবিবুর রহমান সোহান, লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত, তৌহিদ হৃদয়, আকবর আলী, সাব্বির রহমান, শেখ মেহেদী, এস এম মেহেরব হোসেন অহিন, তাইজুল ইসলাম, নাহিদ রানা, রিশাদ হোসেন, শরিফুল ইসলাম, মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ ও আবদুল গাফফার সাকলাইন।
সাউথ জোন : সৌম্য সরকার, এনামুল হক বিজয়, জাওয়াদ আবরার, আজিজুল হাকিম তামিম, মোহাম্মদ মিঠুন, আফিফ হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ, নুরুল হাসান হোসান, সামিউন বশির রাতুল, তানভির ইসলাম, মোস্তাফিজ, রবিউল হক, রেজাউর, রুয়েল মিয়া ও স্বাধীন ইসলাম।
সেন্ট্রাল জোন : সাইফ হাসান, নাইম শেখ, জিসান আলম, আরিফুল ইসলাম, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, ইরফান শুক্কুর, মাহফিজুল ইসলাম রবিন, রাকিবুল হাসান, রিজান হোসেন, আবু হায়দার রনি, ইবাদত হোসেন, রিপন মণ্ডল, মারুফ মৃধা ও ওয়াসি সিদ্দিকী।


