নয়া দিগন্ত ডেস্ক
ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) বাস্তবায়নের আড়ালে দেশের মোবাইল শিল্পের অস্থিরতার পেছনে সংগঠিত একটি সিন্ডিকেট কাজ করছে বলে অভিযোগ করেছে মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ।
গতকাল রোববার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি হলে মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশের আয়োজনে ‘এনইআইআর চালুর কারিগর আওয়ামী দোসরদের মুখোশ উন্মোচন’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলন মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশের প্রচার সম্পাদক আনিসুল রহমান সোহেল বলেন, বাংলাদেশে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) ব্যবস্থা বাস্তবায়নের মাধ্যমে মোবাইল শিল্পে যে অস্থিরতা, সহিংসতা ও ব্যাপক অর্থনৈতিক ক্ষতি সৃষ্টি হয়েছে, তার পেছনে একটি সংগঠিত সিন্ডিকেট ও নির্দিষ্ট ব্যক্তিকেন্দ্রিক প্রভাব কাজ করেছে।
তিনি আরো বলেন, স্মার্ট টেকনোলজিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম তথাকথিত ৯ কোম্পানির মোবাইল সিন্ডিকেটের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং এনইআইআর ব্যবস্থাকে ব্যবহার করে পুরো মোবাইল শিল্পকে একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার নেপথ্য পরিকল্পনায় যুক্ত।
তিনি ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যা মামলায় জহিরুল ইসলাম ১৮ নম্বর আসামি হিসেবে তালিকাভুক্ত। পাশাপাশি দুদকের তদন্ত নথিতে তার বিরুদ্ধে অর্থপাচার ও বাজার নিয়ন্ত্রণে সিন্ডিকেট গঠনের অভিযোগ রয়েছে।
মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশের প্রচার সম্পাদক আরো বলেন, এনইআইআর কার্যকর হওয়ার পর কয়েক লাখ বৈধ মোবাইল ফোন হঠাৎ নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছে। এতে ব্যবসায়ী ও সাধারণ গ্রাহক উভয়ই চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। অনেক গ্রাহকের এনআইডির বিপরীতে অস্বাভাবিক সংখ্যক আইএমইআই নিবন্ধনের অভিযোগও উঠে এসেছে।
তাই মোবাইল বিজনেস কমিটি বাংলাদেশ অবিলম্বে এনইআইআর কার্যক্রম স্থগিত করে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিশন গঠনের দাবি জানাই এবং এই সংকটের জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।



