আলজাজিরা
গ্রেট নিকোবর দ্বীপকে ঘিরে মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে ভারত। মূলত ভারত মহাসাগরে কৌশলগত প্রভাব বিস্তার এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সামুদ্রিক বাণিজ্যপথে নিজেদের উপস্থিতি জোরদার করতে দ্বীপটিকে একটি বৃহৎ অর্থনৈতিক ও সামরিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে মোদি সরকার। তবে এক হাজার ১০০ কোটি ডলারের (প্রায় ১১ বিলিয়ন ডলার) এই প্রকল্প ঘিরে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গন, পরিবেশবিদ ও আদিবাসী অধিকারকর্মীদের মধ্যে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, মালাক্কা প্রণালীর প্রবেশমুখে অবস্থিত গ্রেট নিকোবর ভবিষ্যতে ভারতের জন্য এমন একটি কৌশলগত অবস্থানে পরিণত হতে পারে, যা মধ্যপ্রাচ্যে হরমুজ প্রণালীর ওপর ইরানের প্রভাবের সাথে তুলনীয়। ভারতের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় এক হাজার ৬০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত গ্রেট নিকোবর দ্বীপ ভৌগোলিকভাবে থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার উপকূলের অনেক কাছাকাছি। এটি মালাক্কা প্রণালীর পশ্চিম প্রবেশপথের নিকটে অবস্থিত, যেখানে দিয়ে মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও পূর্ব এশিয়ার মধ্যে বিপুল পরিমাণ সামুদ্রিক বাণিজ্য পরিচালিত হয়।



