ক্রীড়া প্রতিবেদক
বিদেশের মাটিতে লাল-সবুজের পতাকা উড়ছে নতুন এক ধারায়, নতুন এক আত্মবিশ্বাসে। প্রবাসে বেড়ে ওঠা কিংবা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের গড়ে তোলা বাংলাদেশী ক্রীড়াবিদরা একের পর এক সাফল্যের গল্প লিখে চলেছেন। আলি কাদের থেকে সাইক সিজার, জ্যাক আশিকুল ইসলাম জিমন্যাস্টিকসে পদক জয়ের যে ধারা শুরু হয়েছে, সেটি যেন আরো শক্ত ভিত পেয়েছে আদম আলি-এর কারাতে সাফল্যে। একই সাথে অ্যাথলেটিকসের ইমরান, ফুটবলে হামজা চৌধুরী, জামাল ভূঁইয়া, তারেক কাজী ও রোনান সুলিভানদের উপস্থিতি যোগ করেছে ভিন্ন মাত্রা। ভৌগোলিক সীমানা পেরিয়ে এই অর্জনগুলো যেন প্রমাণ করে বাংলাদেশী প্রতিভা শুধু দেশের গণ্ডিতেই নয়, বিশ্বমঞ্চেও সমান উজ্জ্বল।
২৬-২৯ মার্চ জিম্বাবুয়ের হারারেতে বিশ^ কারাতে ফেডারেশন (ডব্লিউকেএফ) ইয়ুথ লিগে জুনিয়র কাতা ও ঊর্ধ্ব-৬১ কেজি কুমিতে দু’টি ব্রোঞ্জপদক জিতেছেন বাংলাদেশের আদম চৌধুরী। প্রতিযোগিতায় ৩৭ দেশের ২৭২ জন কারাতেকা অংশ নেন। এর আগে আদম ২০২৪ সালের ২৮ নভেম্বর ও ১ ডিসেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে ১১তম কমনওয়েলথ কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে ক্যাডেট কুমিতে স্বর্ণ এবং ক্যাডেট কাতাতে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন।
কারাতে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, আদম চৌধুরী ডব্লিউকেএফ পদকজয়ী বাংলাদেশের প্রথম কারাতেকা হিসেবে অনন্য এক মাইলফলক অর্জন করেছেন। কমনওয়েলথ কারাতের পর ডব্লিউকেএফ ইয়ুথ লিগে পদক জেতা আদম চৌধুরীর ধারাবাহিক আন্তর্জাতিক সাফল্য। যা দেশের কারাতে অঙ্গনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে এবং তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করছে।



