সিনিয়র শিক্ষক (বাংলা বিভাগ), বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বনানী, ঢাকা।
মাস্টার ট্রেইনার (বাংলা) ও বোর্ড পরীক্ষক
সুপ্রিয় এসএসসি পরীক্ষার শিক্ষার্থী বন্ধুরা, শুভেচ্ছা নিও। আজ তোমাদের বাংলা প্রথম পত্রের ‘ভ্রমণকাহিনি: প্রবাস বন্ধু’ থেকে আরো ৩টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আলোচনা করা হলো।
প্রশ্ন : সে বড় খুশি বাৎ হবে হুজুর।- ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: আফগানিস্তানের একটি জায়গা হলো পানশির। সেখানে শীতকালে প্রচণ্ড বরফ পড়ে।
বরফে পথঘাট, মাঠ, পাহাড়, নদী সব বরফে ঢাকা পড়ে যায়। সেখানকার বিশুদ্ধ বাতাসে শ্বাস নিলে আয়ুু কয়েক বছর বেড়ে যায়। আবদুর রহমানের কাছে পানশিরের চমৎকার আবহাওয়াার কথা শুনে লেখক শীতকালটা পানশিরে কাটানোর বাসনা ব্যক্ত করেন। এতে খুশিতে আবদুর রহমান প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।
প্রশ্ন : আস্ত উটের রোস্টটা হয়ত দিতে ভুলে গেছে-কথাটি লেখক কেন ভেবেছেন?
উত্তর: আবদুর রহমানের একের পর খাবার পরিবেশন প্রসঙ্গে লেখক কথাটি ভেবেছেন।
আবদুর রহমান একজন লোকের খাবার আয়োাজন করতে গিয়ে ছয়জনের পরিমাণ খাবারের আয়োজন করে। হরেক রকমের খাবারের আয়োজন করে সে। এক গামলা ভর্তি মাংসের কোরমা, বোম্বাই সাইজের গোটা আষ্টেক শামী কাবাব, কোফতা-পোলাওর ওপর আস্ত মুরগির রোস্ট, বাগেবালার বরফি আঙুর, কাবুলি সবুজ চা। খাবার শেষে লেখকের চা খাওয়া হলে আবদুর রহমান দশ মিনিটের জন্য বেরিয়ে যান। তখন লেখক শংকাগ্রস্ত হয়ে ভাবেন, আবার হয়তো কিছু একটা নিয়ে আসবে। আস্ত উটের রোস্টটা হয়ত দিতে ভুলে গিয়েছে।
প্রশ্ন : ‘তামাম আফগানিস্তান মশহুর’ কোন খাবার সম্পর্কে এমন মন্তব্য করা হয়েছে?
উত্তর: বাগেবালার বরফি আঙুর সম্পর্কে প্রশ্নোক্ত এমন মন্তব্যটি করা হয়েছে।
আবদুর রহমান লেখককে একের পর এক নানা পদের খাবার পরিবেশন করেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় তিনি বাগেবালার বরফি আঙুর দিয়ে বললেন সেটা নাকি তামাম আফগানিস্তানে মশহুর। লেখক একটা আঙুর মুখে দেয়াামাত্র তার ব্রহ্মরন্ধ্র পর্যন্ত ঝিনঝিন করে উঠেছিল। তবু আবদুর রহমানকে খুশি করার জন্য তিনি গোটা আটেক আঙুর খেয়েছিলেন।



