প্রিন্স আশরাফ
একশ’ একষট্টি.
ছোট সাব যে সাঁতার জানে না সেটা সাবের মুখেই শুনেছে। সাব তলিয়ে যাওয়ার আগেই তাকে ধরে ফেলতে হবে।
হাকিম মাঝি শক্ত হাতে দাঁড় ধরে রেখেছে। নাভিদ নৌকার কিনারে দাঁড়িয়ে আছে। ইনতাজ আলী তাড়াতাড়ি দাঁড় বেয়ে নৌকা ঘুরিয়ে পানিতে পড়া জুয়েলের দিকে চলে এসেছে।
ফুলিই আগে জুয়েলকে ধরে ফেলেছে। জুয়েল তখন এরই মধ্যে কয়েক ঢোঁক লোনাপানি গিলে ফেলেছে। ফারুকও পেছন দিকে গিয়ে তলিয়ে যেতে থাকা জুয়েলের দুপা আঁকড়ে ধরে ঠেলতে লাগল। ফুলির মা-ও বিপদের সময় বসে থাকেনি। ঘোমটাও খসে পড়েছে। নৌকার ছই থেকে বেরিয়ে এসে একটা বাঁশের মোটা লগি এগিয়ে ধরেছে পানিতে হুটোপুটি করতে থাকা তিনজন মানুষের দিকে। পানিতে পড়ে জুয়েল এতটাই ভ্যাবাচাকা খেয়ে গেছে যে, সে নিজেকে দেহাতী মেয়েটার উপরে সমর্পণ করে দিয়ে একেবারে হাত-পা ছেড়ে দিয়ে পড়েছে। শহরের তুখোড় পকেটমার পানিতে একেবারে ভেজা বেড়াল।
(চলবে)



