হাম উপসর্গে আরো ৩ শিশুর মৃত্যু

Printed Edition

নয়া দিগন্ত ডেস্ক

দেশে হামের উপসর্গে রোববার সকাল ৮টা থেকে গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সুনামগঞ্জ, কুষ্টিয়া ও ময়মনসিংহে আরো তিন শিশু মারা গেছে। তবে এ সময়ে নিশ্চিত হামে কারো মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে হাম ও উপসর্গে দেশে মোট ৫৮৮ শিশুর মৃত্যু হলো। এর মধ্যে হামের উপসর্গে ৪৯৮ শিশু এবং নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৯০ শিশুর। এ ছাড়া ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাম ও উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ১৭৯ জন। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত ৪৫ জন এবং সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত এক হাজার ১৩৪ জন।

গতকাল স্বাস্থ্য অধিদফতরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে গতকাল পর্যন্ত মোট ৭২ হাজার ৭০ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ মিলেছে। তাদের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৫৭ হাজার ৯০২ জন। এ সময়ে ৯ হাজার ৯৪ শিশুর হাম শনাক্ত হয়েছে, আর সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছে মোট ৫৩ হাজার ৭২২ শিশু।

সিলেটে হাম উপসর্গে নার্সের মৃত্যু

সিলেট ব্যুরো জানায়, সিলেটে এবার হাম উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক নার্সের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২২ বছর বয়সী ওই নার্স তরুণীর মৃত্যু হয়। তিনি সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভপুর উপজেলার বাসিন্দা এবং সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মিডওয়াইফারি ইন্টার্ন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন ধরে তিনি হামের উপসর্গে অসুস্থ ছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে প্রথমে তাকে নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার আরো অবনতি হলে রোববার দুপুরে তাকে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় সোমবার সকালে তার মৃত্যু হয়।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা: মিজানুর রহমান জানান, হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও ওই তরুণীকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।