বাংলাদেশ একসময় জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার অনন্য সাফল্যের উদাহরণ হয়ে উঠেছিল। দারিদ্র্য, সীমিত অবকাঠামো, ঘনবসতি এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো বহু চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও দেশটি জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় অসাধারণ সফলতা অর্জন করেছিল। গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে চরাঞ্চল, পাহাড় থেকে উপকূল, বাংলাদেশের অসংখ্য মা জানতেন যে নির্দিষ্ট দিনে টিকা আসবে, একজন স্বাস্থ্যকর্মী আসবেন এবং তাদের সন্তানের ভবিষ্যৎ আরো নিরাপদ হবে। এই বিশ্বাস কোনো আকস্মিক সাফল্য ছিল না; এটি বহু বছরের রাষ্ট্রীয় ধারাবাহিকতা, স্বাস্থ্যকর্মীদের নিবেদিত পরিশ্রম এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ফল।
একসময় যে দেশ পোলিও, হাম, ডিপথেরিয়া ও টিটেনাসের মতো প্রাণঘাতী রোগে হাজার হাজার শিশুকে হারাত, সেই দেশ ধীরে ধীরে বিশ্বের অন্যতম কার্যকর টিকাদান কাঠামো গড়ে তোলে। ইউনিয়ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যকেন্দ্র, মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যসহকারী, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির কর্মী এবং স্থানীয় সচেতনতা কার্যক্রম মিলিয়ে একটি বিস্তৃত জনস্বাস্থ্য নেটওয়ার্ক তৈরি হয়েছিল। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বন্যা বা দুর্গম ভৌগোলিক অবস্থানও এই কর্মসূচিকে থামাতে পারেনি। আন্তর্জাতিক মহলেও বাংলাদেশকে বহুবার ‘লো-কস্ট, হাই-ইমপ্যাক্ট’ জনস্বাস্থ্য সাফল্যের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা, এই কর্মসূচি শুধু রোগ প্রতিরোধ করেনি; এটি রাষ্ট্রের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থাও গড়ে তুলেছিল।
বাংলাদেশে টিকাদান কর্মসূচি গড়ে উঠেছিল ইউনিসেফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনস অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনের (গ্যাভি) সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর। এই ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া, বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ টিকা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান। তবে এখানে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বোঝা প্রয়োজন : বাংলাদেশকে শুধু সেরাম ইনস্টিটিউট থেকেই টিকা কেনা বাধ্যতামূলক ছিল না। ‘ভারত থেকে কিনব কি না’ এমন প্রশ্নও ছিল না, বরং প্রকৃত প্রশ্ন ছিল, কিভাবে নিরবচ্ছিন্ন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত এবং সময়সংবেদনশীল টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।
বিশেষ করে কোভিড-১৯ মহামারীর সময় বিশ্ব দেখেছে, কিভাবে ভ্যাকসিন সরবরাহ আন্তর্জাতিক রাজনীতি, উৎপাদন সক্ষমতা এবং কূটনৈতিক সম্পর্কের সাথে গভীরভাবে যুক্ত। ২০২০ ও ২০২১ সালে বহু দেশ আগাম উৎপাদন চুক্তি, রফতানি নিয়ন্ত্রণ এবং কৌশলগত মজুদ গড়ে তুলেছিল। সেই সময়ে দক্ষিণ এশিয়ায় সেরাম ইনস্টিটিউট ছিল অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকার অন্যতম বৃহৎ উৎপাদনকারী। একইভাবে হাম ও শিশুদের অন্যান্য টিকার ক্ষেত্রেও বিশ্বব্যাপী অনুমোদিত প্রস্তুতকারকের সংখ্যা সীমিত। ফলে টিকা সংগ্রহের প্রশ্নটি শুধু বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত ছিল না; এটি ছিল সময়মতো উৎপাদন, আন্তর্জাতিক অনুমোদন, শীতল সরবরাহব্যবস্থা এবং দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহ নিশ্চয়তার প্রশ্ন।
ভ্যাকসিন বাজার সাধারণ পণ্যের বাজারের মতো নয়। এখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পূর্ব অনুমোদন, দীর্ঘ উৎপাদনচক্র, আন্তর্জাতিক মাননিয়ন্ত্রণ, শীতল সংরক্ষণব্যবস্থা এবং আগাম উৎপাদন সক্ষমতা নিশ্চিত করার মতো জটিল বাস্তবতা রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে ছয় থেকে বারো মাস আগেই উৎপাদন সক্ষমতা নিশ্চিত করতে হয়। এই কারণেই ইউনিসেফ ও গ্যাভি বহু দেশের চাহিদা একত্র করে সমন্বিত ক্রয়ব্যবস্থার মাধ্যমে অনুমোদিত প্রস্তুতকারকদের কাছ থেকে দ্রুত ও স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করত। সেরাম ইনস্টিটিউট ছিল সেই অনুমোদিত বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থার একটি বড় ও পরীক্ষিত অংশ।
এই আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাটি মূলত বহুস্তরবিশিষ্ট সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা টিকার কার্যকারিতা, নিরাপত্তা ও উৎপাদনমান যাচাই করে আন্তর্জাতিক পূর্বানুমোদন প্রদান করে। গ্যাভি উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য অর্থায়ন ও দীর্ঘমেয়াদি ক্রয় পরিকল্পনায় সহায়তা করে, যাতে দরিদ্র দেশগুলোও কম দামে নির্ভরযোগ্য টিকা পেতে পারে। ইউনিসেফ বিশ্বের বৃহত্তম টিকা সংগ্রহ ও সরবরাহকারী সংস্থাগুলোর একটি হিসেবে বহু দেশের চাহিদা একত্র করে প্রস্তুতকারকদের সাথে আগাম চুক্তি করে এবং উৎপাদন সময়সূচি নিশ্চিত করে। এরপর আন্তর্জাতিক পরিবহন, শীতল সংরক্ষণ ব্যবস্থা, বিমানবন্দর থেকে কেন্দ্রীয় গুদাম, জেলা পর্যায়ের সংরক্ষণকেন্দ্র এবং উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স পর্যন্ত একটি সমন্বিত কোল্ড-চেইন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে টিকা পৌঁছে দেয়া হয়।
এরপর শুরু হয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, মাঠপর্যায়ের প্রয়োগ। স্বাস্থ্য সহকারী, পরিবারকল্যাণ কর্মী, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির মাঠকর্মী এবং স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো বাড়ি বাড়ি গিয়ে শিশুদের তালিকা প্রস্তুত করে। দুর্গম চরাঞ্চল, পাহাড়ি এলাকা কিংবা বন্যাপ্রবণ অঞ্চল, সব জায়গায় নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী টিকা পৌঁছানোর চেষ্টা করা হয়। অর্থাৎ একটি শিশুর হাতে টিকা পৌঁছানো শুধু একটি কেনাকাটার বিষয় নয়; এর পেছনে থাকে আন্তর্জাতিক সংস্থা, উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, পরিবহনব্যবস্থা, স্বাস্থ্য প্রশাসন এবং হাজার হাজার মাঠকর্মীর সমন্বিত ও সময়সংবেদনশীল কার্যক্রম।
এই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে যখন অন্তর্বর্তী সরকার পুরনো টিকা সংগ্রহব্যবস্থা পরিবর্তনের উদ্যোগ নেয় এবং ইউনিসেফ-সমর্থিত কাঠামো থেকে সরে গিয়ে উন্মুক্ত দরপত্রভিত্তিক নতুন সংগ্রহব্যবস্থার দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করে। সংস্কার, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি অবশ্যই প্রয়োজনীয়। কিন্তু রাষ্ট্র পরিচালনার একটি মৌলিক বাস্তবতা হলো, সব খাতে একই গতিতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা যায় না, বিশেষ করে জনস্বাস্থ্য খাতে তো নয়ই। কারণ এখানে ভুলের মূল্য শুধু অর্থনৈতিক নয়, হতে পারে সংক্রমণ, মহামারী, এমনকি শিশুর জীবনও।
এমন একটি সময়, যখন আন্তর্জাতিক টিকা সরবরাহব্যবস্থা এখনো কোভিড-পরবর্তী চাপ ও পুনর্বিন্যাসের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল, তখন একটি প্রতিষ্ঠিত ও কার্যকর সংগ্রহব্যবস্থাকে পর্যাপ্ত বিকল্প প্রস্তুতি ছাড়া পরিবর্তনের উদ্যোগ ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা ছিল, এ ধরনের নীতিগত রূপান্তর সরবরাহ বিলম্ব ও টিকা কভারেজ ব্যাহত করতে পারে।
ইউনিসেফ পরবর্তীকালে জানিয়েছে যে, সম্ভাব্য হাম টিকার সঙ্কট নিয়ে তারা একাধিকবার সতর্ক করেছে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, সমস্যা অর্থের ঘাটতি ছিল না; বরং মূল উদ্বেগ ছিল টিকা সংগ্রহ পদ্ধতির পরিবর্তন।
টিকা সংগ্রহব্যবস্থায় সাধারণ বাজারনীতির প্রয়োগ সবসময় কার্যকর হয় না। সাধারণ ক্রয় ব্যবস্থায় বিলম্ব প্রশাসনিক অসুবিধা তৈরি করতে পারে; কিন্তু টিকা সংগ্রহে বিলম্ব সরাসরি জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রূপ নিতে পারে। এই কারণেই বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদন ও স্বাস্থ্য খাত সংশ্লিষ্ট পর্যবেক্ষণে টিকা সরবরাহ বিঘ্ন, টিকা কভারেজ হ্রাস এবং হাম সংক্রমণ বৃদ্ধির উদ্বেগ উঠে আসে। যখন হাম প্রতিরোধে প্রায় ৯৫ শতাংশ টিকা কভারেজ প্রয়োজন, তখন সরবরাহ ঘাটতি বা কভারেজের ফাঁক অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।
এই পরিস্থিতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রশ্ন সামনে আসে, তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের অপরিকল্পিত ও ঝুঁকিপূর্ণ নীতিগত পদক্ষেপ টিকা সরবরাহব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল করে তোলে এবং উদ্ভূত সঙ্কটকে আরো গভীর করে তোলে কি না, সে বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন প্রয়োজন। যথাযথ বিকল্প প্রস্তুতি, জরুরি মজুদ এবং সরবরাহ নিশ্চয়তা ছাড়া একটি প্রতিষ্ঠিত টিকা সংগ্রহ ব্যবস্থার পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত পরে টিকা সরবরাহের সঙ্কট, কভারেজ ঘাটতি এবং হাম সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছিল কি না, সেটির তথ্যভিত্তিকভাবে পর্যালোচনা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
তবে এই আলোচনাকে ভারতপন্থা বনাম ভারত বিরোধিতার সরল রাজনৈতিক কাঠামোয় ফেলা ভুল হবে। এটি কোনো দলীয় অবস্থানের প্রশ্ন নয়; এটি রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং জনস্বাস্থ্য নিরাপত্তার প্রশ্ন। রাষ্ট্রের টিকানীতি কখনো ভূরাজনৈতিক আবেগের কাছে জিম্মি হতে পারে না। রাষ্ট্রের কাছে উৎসের ভূগোল নয়, জনগণের নিরাপত্তাই হওয়া উচিত চূড়ান্ত বিবেচ্য। ভারত, চীন, ইউরোপ বা আমেরিকা, যে উৎস নিরাপদ, কার্যকর এবং সময়মতো টিকা দিতে পারবে সেটিই গ্রহণ করতে হবে। রাষ্ট্রের প্রথম দায়িত্ব জনগণের জীবনের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
ভবিষ্যতের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো, একক উৎস-নির্ভরতার পরিবর্তে বহুমুখী ও সুরক্ষিত সরবরাহব্যবস্থা গড়ে তোলা। অর্থাৎ একই টিকার জন্য দ্বৈত বা ত্রিমুখী অনুমোদিত সরবরাহ চ্যানেল, জরুরি মজুদ এবং আগাম ক্রয়চুক্তি নিশ্চিত করা প্রয়োজন, যাতে কোনো একটি উৎসে রাজনৈতিক, উৎপাদনগত বা পরিবহন সঙ্কট তৈরি হলেও জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি ব্যাহত না হয়।
রাষ্ট্র পরিচালনা শুধু পরিবর্তনের ঘোষণা নয়; রাষ্ট্র পরিচালনা মানে ঝুঁকি বুঝতে পারা, ধারাবাহিকতা রক্ষা করা এবং কোন খাতে দ্রুত পরিবর্তন আনা যায় আর কোন খাতে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে অগ্রসর হতে হয়- সেটি বোঝার পরিপক্বতা। দায়িত্বশীল রাষ্ট্র জানে, স্বাস্থ্য খাতে নীতিগত পরীক্ষার মূল্য কখনো শিশুদের দিয়ে পরিশোধ করানো যায় না।
রাজনৈতিক পরিবর্তন বা আদর্শিক অবস্থান কখনো এমন পর্যায়ে যাওয়া উচিত নয়, যেখানে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির মুখে পড়ে। বিশেষ করে শিশুস্বাস্থ্য, টিকাদান ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবার মতো খাতে সিদ্ধান্ত হতে হবে সতর্ক, তথ্যভিত্তিক, দায়িত্বশীল এবং দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় স্বার্থকেন্দ্রিক।
আজ প্রয়োজন রাজনৈতিক স্লোগান নয়, প্রয়োজন পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনা, তথ্যভিত্তিক মূল্যায়ন এবং সবচেয়ে বড় কথা, ভুল থেকে শিক্ষা নেয়া। কারণ দায়িত্বশীল রাষ্ট্রও ভুল করতে পারে, কিন্তু সেই ভুল থেকে শিক্ষা না নেয়াই প্রকৃত ব্যর্থতা। জনস্বাস্থ্য কোনো সরকারের সম্পত্তি নয়; এটি রাষ্ট্রের ধারাবাহিক দায়িত্ব। সরকার বদলায়, নীতি বদলায়, কূটনৈতিক সম্পর্কও বদলায়; কিন্তু যদি একটি শিশুর টিকা মিস হয়, তার ঝুঁকি একটি পুরো প্রজন্ম বহন করতে পারে।
আমাদের বিশ্বাস, একটি পরিপক্ব রাষ্ট্রের প্রকৃত শক্তি শুধু বড় বড় ঘোষণা বা রাজনৈতিক অবস্থানে নয়; বরং সঙ্কটের সময়েও সাধারণ মানুষের জীবন কতটা নিরাপদ রাখা যায়, তার ওপর নির্ভর করে। তাই ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়তে আমাদের প্রয়োজন এমন নীতিনির্ধারণ, যেখানে রাজনৈতিক আবেগের চেয়ে জনগণের নিরাপত্তা, ধারাবাহিকতা এবং মানবিক দায়িত্ববোধ সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে। রাষ্ট্রের ধারাবাহিকতা ভেঙে গেলে সবচেয়ে বড় মূল্য দেয় সাধারণ মানুষ; আর জনস্বাস্থ্য খাতে সেই মূল্য অনেক সময় শিশুদের জীবন দিয়ে পরিশোধ করতে হয়।
লেখক : সাবেক সংসদ সদস্য



