বিসিবির পরিচালক হতে চান ওয়ান্ডারার্সের শামীম

Printed Edition

ক্রীড়া প্রতিবেদক

ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের ঐতিহ্য নিয়ে নতুন কিছু বলার নেই। দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর দেশের শীর্ষ পেশাদার লিগে ফিরে এবং সুদীর্ঘকালের হারানো ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ঐতিহ্যবাহী ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাব। ১৯৩৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রাচীন ক্লাবটি নতুন করে দল গঠন এবং মাঠের খেলায় নিজেদের অস্তিত্বের জানান দিচ্ছে। দীর্ঘ নির্বাসন ও নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাব সাফল্যের সাথে বিসিএল থেকে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে উন্নীত হয়েছে। ক্রিকেটেও সমান গতিতে এগিয়ে চলছে। এবার দ্বিতীয় বিভাগ ক্রিকেট থেকে ক্লাব ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কাউন্সিলর হয়েছেন ওয়ান্ডারার্সের সিনিয়র সহ সভাপতি প্রফেসর ডা: সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম। এবার তার চোখ আসন্ন বিসিবি নির্বাচনে বোর্ড ডিরেক্টর হয়ে ক্লাবগুলোর যৌক্তিক দাবি-দাওয়া নিয়ে কথা বলা, ক্লাবগুলোর উন্নতীকল্পে বিসিবি-ক্লাব দূরত্ব কমিয়ে আনা। ক্লাবগুলোর সার্বিক উন্নয়ন-উন্নতী নিশ্চিত করা।

গতকাল ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের একটি কক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলনে ক্লাবটির সাধারণ সম্পাদক মো: মাহবুবুর রহমান শাহীন বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের পর আমরা দায়িত্ব নেই। আমাদের জীর্ণদশা থেকে আস্তে আস্তে একটা পর্যায়ে আসি। প্রেসিডেন্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম ভাইয়ের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা: শামীম সাহেবকে ক্রিকেট বোর্ডের কাউন্সিলর মনোনীত করা হয়। আশা করছি আগামী ৭ জুন নির্বাচনে আপনাদের মাধ্যমে সকল ভোটরদের ভোটদানের মাধ্যমে আমাদের সাবেক ক্রিকেটার শামীমকে পাস করিয়ে আনতে পারব। উনার ভোটার নম্বর ১০৫।’

অধ্যাপক মাহবুব শামীম জানান, ‘অনেক আগেই আমাকে ক্রিকেট বোর্ডে নিতে চেয়েছিল, তখন বলেছি সুবিধামতো সময়ে আমি আসব, যখন কম্ফোটেবল থাকবে, যখন আমি কিছু করতে পারব। ওয়ান্ডারার্স থেকে কাউন্সিলর মনোনীত হওয়ার পর আমি বিসিবির উন্নয়নের জন্য বিশেষ দায়িত্ব পালন করতে চাই। প্রতি বছর ক্লাবগুলোকে অনেক কষ্ট করতে হয়, ক্লাবগুলোকে কিভাবে স্বাবলম্বী করা যায়, ক্লাবগুলোর সমস্যায় বিসিবি কিছু সহায়তা করে, প্লেয়ার পরিচর্যা, অর্থনৈতিক বিষয়গুলো দেখা, ক্লাব-বিসিবির মাঝে সম্পর্ক উন্নয়ন, ক্লাবের মতামতগুলোকে গুরুত্ব দেয়া, খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্যসম্মত খাবার, পথ্যসহ নানাবিষয় বিসিবির মাধ্যম সুরাহা-সমাধান করার চেষ্টা করব।’

তিনি যোগ করেন, ‘আপনারা জানেন আমি একজন ডাক্তার। সেহেতু খেলোয়াড়দের ফিটনেস, ফিজিওথেরাপির সাথে সম্পর্ক, ফিজিক্যাল মেডিসিন, অর্থোপেডিক্স ডাক্তারদের সমন্বয় জরুরি। যে ১৬ জন ক্লাব ক্যাটাগরি থেকে নির্বাচন করছেন, তাদের বেশির ভাগ ইয়াং, প্রতিষ্ঠিত, ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ড ভালো। নতুন ব্লাড থেকে নতুন নতুন আইডিয়া আনতে পারি, তাহলে বিসিবি নতুন উচ্চতায় যাবে। যারা আসছেন তারা বিসিবিকে দিতে আসছেন, নিতে আসেননি। নতুন ডায়নামিক বিসিবি হবে ইনশাআল্লাহ। বিশ্বাস করি এবারের ক্রিকেট বোর্ড সেরা ক্রিকেট বোর্ড হবে।’