জর্দানকে হারিয়ে আরো আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ

Printed Edition

ক্রীড়া প্রতিবেদক

এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবলের চূড়ান্ত পর্বে খেলার আগে প্রস্তুতিটা ভালোই হয়েছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের। ২৫ মার্চ প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে ভারতের সাথে ১-১ গোলে ড্র করার পর গত পরশু তারা ২-০তে হারিয়েছে জর্দানকে। ফলে ১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া মূল প্রতিযোগিতার আগে আত্মবিশ্বাসটা আরো বেড়ে গেলে আফঈদা খন্দকার প্রান্তিদের। পরশু ক্লোজডোর এই ম্যাচে লাল-সবুজদের হয়ে দুই গোল করেছেন মামনি চাকমা ও সৌরভী আকন্দ প্রীতি। প্রীতি গোলটি করেছিলেন পেনাল্টি থেকে।

প্রথমবার বাংলাদেশ খেলতে যাচ্ছে এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ নারী ফুটবলের চূড়ান্ত পর্বে। ফাইনাল রাউন্ডে সেমিফাইনালে উঠলেই এ বছর পোল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য অনূর্ধ্ব-২০ বিশ^কাপে খেলার সুযোগ হবে। নারী এশিয়ান কাপের যেকোনো লেভেলে চূড়ান্ত পর্বে প্রথম জয়ের মিশনে বাংলাদেশ ১ এপ্রিল মুখোমুখি হবে স্বাগতিক থাইল্যান্ডের। এরপর তাদের ৪ তারিখে চীন এবং ৭ তারিখে ভিয়েতনামের বিপক্ষে ম্যাচ। সব দেশই ফিফা র‌্যাংকিংয়ে এগিয়ে। থাইল্যান্ডের র‌্যাংকিং ৫২। ভিয়েতনামের ৩৭ এবং চীনের ১৬। র‌্যাংকিংয়ে এগিয়ে থেকেও যে প্রতিপক্ষরা তেমন কোনো সুযোগ পায় না তা আগেই প্রমান করেছে বাংলাদেশ। পরশু ফের তার প্রমাণ ব্যাংককের মাঠে। এই মুহূর্তে জর্দানের র‌্যাংকিং ৭৫। আর বাংলাদেশের ১১৩। এর পরও সৌরভী আকন্দ প্রীতি ও মামনি চাকমারা উড়িয়ে দিয়েছে মধ্য প্রাচ্যের দেশটিকে। এখন বাংলাদেশ দল যদি এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ নারী ফুটবলে ১ এপ্রিল থাইল্যান্ড ও ৭ এপ্রিল ভিয়েতনামকে হারাতে পারে তাহলে শেষ আটে উঠতে পারবে। এমনকি একটি জয় এবং এক ড্র দিয়েও তাদের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছানো সম্ভব। আবার এক জয়েও কাক্সিক্ষত লক্ষ্য পূরন সম্ভব। সে ক্ষেত্রে তিন গ্রুপের তৃতীয় হওয়ার তিন দলের মধ্যে সেরা দুইয়ে থাকতে হবে। কোয়ার্টার ফাইনালে জিতলেই ইতিহাস গড়ে বিশ্বকাপে।