ফ্যাটি লিভারে যে পর্যায়ে ঝুঁকি বাড়ে

Printed Edition

যকৃতে অতিরিক্ত চর্বি জমতে শুরু করলে তাকে ফ্যাটি লিভার হবলা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে এটি শুধু লিভারের রোগ নয়, বরং পুরো শরীরের মেটাবলিক সমস্যার সাথে জড়িত। চাহিদার তুলনায় বেশি ক্যালরি গ্রহণ, ফাস্ট ফুড খাওয়া, দীর্ঘ সময় বসে থাকা, কম শারীরিক পরিশ্রম এবং ঘুমের অনিয়ম হলে শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমতে থাকে।

ফ্যাটি লিভারের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, প্রাথমিক অবস্থায় সাধারণত কোনো লক্ষণ বোঝা যায় না। তবে রোগ বাড়লে কিছু উপসর্গ দেখা দিতে পারে। যেমন- সবসময় ক্লান্ত লাগা, পেটের ডান পাশে অস্বস্তি বা ব্যথা, হঠাৎ ওজন কমে যাওয়া, চোখ বা ত্বক হলুদ হয়ে যাওয়া এবং পা ফুলে যাওয়া।

চিকিৎসকরা সাধারণত ফ্যাটি লিভারকে তিনটি গ্রেডে ভাগ করেন। সেগুলো হলো-

গ্রেড-১ : এটা প্রাথমিক বা হালকা পর্যায়। এ সময় জীবনযাত্রা বদলালেই অনেক ক্ষেত্রে সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আসে।

গ্রেড-২ : লিভারে চর্বি আরো বাড়ে এবং প্রদাহ শুরু হতে পারে।

গ্রেড-৩ : সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ। এই পর্যায়ে লিভারে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে এবং সিরোসিস বা লিভার ফেইলিউরের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

এ অবস্থায় দীর্ঘ দিন চিকিৎসা না করলে লিভারে স্থায়ী দাগ পড়ে, যাকে ফাইব্রোসিস বা সিরোসিস বলা হয়। গুরুতর অবস্থায় এটি লিভার ক্যানসারের কারণও হতে পারে। ইন্টারনেট।