ক্রীড়া প্রতিবেদক
এশিয়ান গেমসের ২০তম আসর বসবে জাপানের আইচি-নাগোয়ায়। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর শুরু হতে যাওয়া গেমসে কঠিন গ্রুপে পড়েছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। গতকাল নাগোয়ায় অনুষ্ঠিত ড্রয়ে তিনটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে দলগুলোকে। ‘এ’ গ্রুপের চার দল জাপান, চায়নিজ তাইপে, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ড। ‘সি’ গ্রুপে পড়েছে চীন, ফিলিপাইন, উজবেকিস্তান ও হংকং। ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশের সঙ্গী দণি কোরিয়া, উত্তর কোরিয়া ও মিয়ানমার। এর মধ্যে তিনবার স্বর্ণপদক পেয়েছে উত্তর কোরিয়া। বিপরীতে ১০ বার অংশ নিয়ে তিনটি ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে দণি কোরিয়া। এবারের এশিয়ান গেমসে ১২ নারী দল অংশ নেবে।
বাংলাদেশের মতোই দ্বিতীয়বার এশিয়ান গেমসে খেলবে মিয়ানমার। গেমসে বাংলাদেশ নারী দলের অতীত স্মৃতি অবশ্য খুব একটা সুখকর নয়। ২০২২ এশিয়ান চীনের হাংঝুতে অনুষ্ঠিত আসরে প্রথমবারের মতো অংশ নিয়ে একটি ড্র ও দু’টি হারের তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে গ্রুপ পর্ব থেকেই ছিটকে পড়েছিল দলটি। সেবার জাপানের কাছে ৮-০ গোলে হারের পর ভিয়েতনামের বিপওে ৬-১ ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। আর শেষ ম্যাচে নেপালের সাথে শুরুতে এগিয়ে গিয়েও ১-১ ব্যবধানে ড্র করে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল লাল সবুজের প্রতিনিধিদের।
এই গ্রুপটিকে কঠিন মানছেন অধিনায়ক মারিয়া মান্দাও। তিনি বলেন, ‘আসলেই অনেক কঠিন গ্রুপে পড়েছি আমরা। আমাদের প্রতিপক্ষ উত্তর ও দক্ষিণ দুই কোরিয়াই অনেক শক্তিশালী। মিয়ানমারের বিপক্ষে হয়তো জিততে পারব। তবে সবচেয়ে বড় কথা হলো মাঠে নামলে আমরা বুঝতে পারব কি হবে। চেষ্টা করব ভালো খেলা উপহার দিতে।’
জাপানের আইচি-নাগোয়া শহরে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে পর্দা উঠছে ২০তম এশিয়ান গেমসের। তবে তার আগে ফুটবল শুরু হবে ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে। নিজেদের ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো এশিয়ান গেমসের মঞ্চে নামতে যাচ্ছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। তবে এবারের ড্র ঋতুপর্ণা চাকমা ও মোসাম্মত সাগরিকাদের জন্য এক পাহাড়সম চ্যালেঞ্জই ছুড়ে দিয়েছে। এবার নিজেদের পারফরম্যান্সকে ছাড়িয়ে যাওয়ার পাশাপাশি শক্তিশালী প্রতিপরে বিপে শক্ত প্রতিরোধ গড়ার ল্য থাকবে লাল-সবুজদের।
শক্তির বিচারে জাপান পরিষ্কার ফেবারিট হলেও বাকি তিন দলের মধ্যে মূল লড়াইটা বেশ জমজমাট হওয়ার আভাস রয়েছে। ‘সি’ গ্রুপে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের অপোয় রয়েছে শক্তিশালী চীন, ফিলিপাইন, উজবেকিস্তান ও হংকং।



