ফুলছড়ির ৩ ইউপি চেয়ারম্যান ১০ মাস পর দায়িত্বে

Printed Edition

ফুলছড়ি (গাইবান্ধা) সংবাদদাতা

প্রায় ১০ মাস পর গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার তিন ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান পুনরায় নিজ নিজ দায়িত্বে ফিরেছেন। প্রশাসনের এক অফিস আদেশে তাদের সাময়িক বরখাস্তাদেশ প্রত্যাহার করে আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে।

ফের দায়িত্ব পাওয়া চেয়ারম্যানরা হলেন- কঞ্চিপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান সোহেল রানা শালু, উড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা কামাল পাশা এবং ফুলছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান আজহারুল হান্নান।

জানা যায়, ২০২৫ সালের মে মাসে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা শেষে এই তিনজনসহ মোট ছয় ইউপি চেয়ারম্যানকে গ্রেফতার করা হয়। একই সময়ে উদাখালী ইউপি চেয়ারম্যান কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকেই সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। পরে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন অনুযায়ী প্যানেল চেয়ারম্যানদের ওপর দায়িত্ব ন্যস্ত করা হয়।

পরবর্তীতে আদালত থেকে জামিন লাভ করে ধাপে ধাপে কয়েকজন চেয়ারম্যান কর্মস্থলে ফেরেন। সর্বশেষ কঞ্চিপাড়া, উড়িয়া ও ফুলছড়ি ইউপির চেয়ারম্যানদের বরখাস্তাদেশ প্রত্যাহার করে গত ৩১ মার্চ গাইবান্ধা স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (উপসচিব) মুশফিকুর রহমান স্বাক্ষরিত এক পত্র জারি করা হয়। ওই আদেশে তাদের পুনর্বহাল করে সব প্রশাসনিক ও আর্থিক ক্ষমতা ফিরিয়ে দেয়া হয়। গত মঙ্গলবার বিকেলে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

তবে এখনো উদাখালী, গজারিয়া ও এরেণ্ডাবাড়ী ইউপির চেয়ারম্যানদের বরখাস্তাদেশ বহাল রয়েছে বলে জানা গেছে।

দায়িত্ব ফিরে পেয়ে কঞ্চিপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান সোহেল রানা শালু বলেন, দীর্ঘ দিন পর জনগণের সেবা করার সুযোগ ফিরে পেয়ে তিনি কৃতজ্ঞ। অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজ দ্রুত শেষ করে এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা দায়িত্বে ফেরায় ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রমে গতি ফিরবে এবং স্থবির হয়ে থাকা উন্নয়ন কার্যক্রম আবারো সচল হবে।