‘মায়া পাখি’ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তুমুল বিতর্ক

Printed Edition
‘মায়া পাখি’ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তুমুল বিতর্ক
‘মায়া পাখি’ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তুমুল বিতর্ক

বিনোদন প্রতিবেদক

ঈদুল আজহা উপলক্ষে মুক্তি পাওয়া জাকারিয়া সৌখিন পরিচালিত নাটক ‘মায়া পাখি’ দর্শক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। নাটকটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এর গল্প, চরিত্র নির্মাণ এবং কিছু দৃশ্য নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে, করপোরেট কর্মজীবী নারী চরিত্রের উপস্থাপন নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা। দর্শকদের একাংশের অভিযোগ, নাটকে করপোরেট নারীদের এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা কর্মজীবী নারীদের সম্পর্কে সমাজে নেতিবাচক ধারণা তৈরি করতে পারে। তাদের মতে, নাটকের কয়েকটি চরিত্র ও ঘটনাপ্রবাহ নারীদের পেশাগত পরিচয়ের সাথে ব্যক্তিগত সম্পর্ককে এমনভাবে জড়িয়েছে, যা বাস্তবতার সঙ্গে একেবারেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এছাড়া, নাটকের একটি অন্তরঙ্গ দৃশ্য নিয়েও আপত্তি তুলেছেন অনেক দর্শক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন, পারিবারিক দর্শকদের কথা বিবেচনায় রেখে দৃশ্যগুলো আরও সংযতভাবে উপস্থাপন করা যেত। তবে অন্য একটি পক্ষ আবার নাটকের গল্প বলার ধরন, আবেগঘন উপস্থাপনা এবং অভিনয়ের প্রশংসাও করেছেন। নাটকটিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন জিয়াউল ফারুক অপূর্ব, নাজনীন নাহার নীহা ও শাহেদ শরীফ খান। পরিচালক জাকারিয়া সৌখিন এর আগে ‘মন দুয়ারী’ ও ‘মেঘবালিকা’ নাটকের মাধ্যমে দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। এই নির্মাতার দাবি, ‘মায়া পাখি’ একটি ভিন্নধর্মী গল্পের নাটক, যেখানে দর্শকদের একটি আবেগঘন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। নাটকটির কেন্দ্রীয় চরিত্র ‘মায়া’কে ঘিরেই এর গল্প আবর্তিত হয়েছে। নির্মাতা জানিয়েছেন, কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের গল্পের সরল-সাদাসিধে নারী চরিত্রগুলোর আবহ থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই মায়া চরিত্রটি রূপায়ণ করা হয়েছে। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সিএমভি -এর ব্যানারে ঈদ উপলক্ষে নাটকটি প্রকাশিত হয়েছে এবং মুক্তির পর থেকেই ইউটিউব ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এটি নিয়ে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে।