চীনের সাথে বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের কথা জানালেন ট্রাম্প

Printed Edition
চীনের সাথে বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের কথা জানালেন ট্রাম্প
চীনের সাথে বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের কথা জানালেন ট্রাম্প

আনাদোলু অ্যাজেন্সি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, বুধবার চীনের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। হোয়াইট হাউজে ‘ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল’ ইভেন্টে বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) এক বক্তব্যে তিনি এই তথ্য জানিয়েছেন।

চীনের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের এই চুক্তি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো না হলেও জানা গেছে, চলতি মাসের শুরুতে লন্ডনে দুই দেশের কর্মকর্তাদের মধ্যে শুল্ক নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। এপ্রিল মাসে যুক্তরাষ্ট্র চীনা পণ্যের ওপর ব্যাপক হারে শুল্ক আরোপ করে। পরে মে মাসে উভয় দেশ প্রাথমিকভাবে ৯০ দিনের জন্য ওই শুল্ক কমানোর ব্যাপারে সম্মত হয়।

এ দিকে ট্রাম্প জানান, ভারতের সাথেও একটি বড় ধরনের বাণিজ্য চুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, আমরা ভারতের সাথেও একটি বড় ধরনের চুক্তির পথে রয়েছি। ট্রাম্প বলেন, শুল্ক থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে ৮৮ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করেছে। ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল নিয়ে তিনি বলেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আইনগুলোর একটি, যা দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, অর্থনীতি চাঙ্গা করা এবং আমেরিকান ড্রিম পুনরুদ্ধারে সহায়তা করবে। গত মাসে প্রতিনিধি পরিষদে বিলটি অল্প ব্যবধানে পাস হলেও বর্তমানে সিনেট রিপাবলিকানরা এতে কিছু পরিবর্তন এনে আবারো নিম্নকক্ষে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট জানান, ৪ জুলাইয়ের মধ্যে প্রেসিডেন্ট এই বিলটিতে সই করতে চান।

চীনের পর ভারতের সাথে বাণিজ্য চুক্তিতে নজর ট্রাম্পের

চীনের পর এবার ভারতের সাথেও একটি বড় বাণিজ্য চুক্তির ইঙ্গিত দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, আমরা চমৎকার সব চুক্তি করছি। সামনে আরও একটি চুক্তি আসছে, সম্ভবত ভারতের সাথে, যা হবে বেশ বড় একটি চুক্তি। এর মাধ্যমে আমরা ভারতের বাজারও উন্মুক্ত করতে যাচ্ছি।’

ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন দেশ থেকে আরোপিত শুল্ক বাবদ ৮৮ বিলিয়ন ডলার আদায় করেছে। তিনি বলেন, এটা কি দারুণ ব্যাপার নয়? ৮৮ বিলিয়ন ডলার! অনুষ্ঠানে রিপাবলিকান দলের কর ও ব্যয় হ্রাস সংক্রান্ত একটি আইনের প্রচার করার সময় ট্রাম্প ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিলকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আইন’ বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, এই আইনটি আমেরিকার সীমান্ত সুরক্ষিত করবে, অর্থনীতিকে বেগবান করবে এবং আমেরিকান স্বপ্নকে ফিরিয়ে আনবে।