রয়টার্স
রাশিয়ার তেলের ওপর মূল্যসীমা নির্ধারণের মতো বাজারবিরোধী পদক্ষেপ সমর্থনকারী দেশগুলোতে তেল সরবরাহ করবে না মস্কো। এই সিদ্ধান্ত এমন দেশগুলোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে যারা রাশিয়ার বিরুদ্ধে আরোপিত নিষেধাজ্ঞাকে সমর্থন করে। মঙ্গলবার রাশিয়ার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রে রুদেনকো এই তথ্য জানান।
রুশ দৈনিক ইজভেস্টিয়াকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে রুদেনকো জানান, বর্তমানে জ্বালানি বাজার বেশ অস্থিতিশীল। একই সাথে জ্বালানি সম্পদের ঘাটতি রয়েছে এবং এর দামও বাড়ছে। জাপানসহ রুশবিরোধী নিষেধাজ্ঞা সমর্থনকারী দেশগুলোর সাথে বাণিজ্যের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, টোকিও রাশিয়ার তেলের ওপর মূল্যসীমা মেনে চলার প্রতিশ্রুতিতে আবদ্ধ। এই পদক্ষেপকে তিনি সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহতকারী বাজারবিরোধী পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেন।
তিনি বলেন, ‘বারবার বলা হয়েছে, এই উসকানিমূলক পরিকল্পনা সমর্থনকারী দেশগুলোতে রাশিয়া তেল সরবরাহ করবে না।’ এর আগে ১২ মার্চ মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ ঘোষণা দেয়, মার্কিন নিষেধাজ্ঞানীতিতে পরিবর্তনের অংশ হিসেবে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত রাশিয়ার তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে তারা ছাড় দিয়েছে। মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট ব্যাখ্যা করে জানান, ইরানে যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম কমানোর উদ্দেশ্যেই মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থেকে রাশিয়ার তেল বিক্রিকে বাদ দেয়া হয়েছে। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেলের ওপর জি-৭-এর মূল্যসীমা চালু করা হয়। মস্কোর জ্বালানি রাজস্ব কমানোর পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে তেলের সরবরাহ ঠিক রাখতে দ্বিমুখী ব্যবস্থা হিসেবে এর নকশা করা হয়েছিল। এর মাধ্যমে একটি নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হওয়া কার্গোর জন্য পশ্চিমা সামুদ্রিক পরিষেবা নিষিদ্ধ করা হয়।



