ফাতেমাতুজ জোহরার সান্নিধ্যে উচ্ছ্বসিত লাবণ্য

Printed Edition
ফাতেমাতুজ জোহরার সান্নিধ্যে উচ্ছ্বসিত লাবণ্য
ফাতেমাতুজ জোহরার সান্নিধ্যে উচ্ছ্বসিত লাবণ্য

বিনোদন প্রতিবেদক

ফাতেমাতুজ জোহরা বাংলাদেশের সঙ্গীতাঙ্গনের জীবন্ত কিংবদন্তি গায়িকা। এক সময় তার জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে বিজ্ঞাপন নির্মাতারা তাকে মডেল করেছেন। তবে ফাতেমাতুজ জোহরাকে অনেকেই বিশিষ্ট নজরুল সঙ্গীতশিল্পী হিসেবেও আখ্যায়িত করে থাকেন। সঙ্গীতে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি ২০০৬ সালে একুশে পদকে ভূষিত হন। এ ছাড়াও নজরুল পদক, নজরুল ইনস্টিটিউট পদক, নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় পদকসহ আরো বহু পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। গুণী এই সঙ্গীতশিল্পী এক সময় নাটকে অভিনয়ও করেছেন। তার অভিনীত নাটকের মধ্যে ‘লাগুক দোলা’, ‘শিউলী মালা’, ‘শেষের রাত্রি’, ‘ঘাটের কথা’ দর্শকের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলে। ১৯৯২ সালে তার প্রথম কবিতার বই ‘যেখানে ভালোর বাস’ প্রকাশিত হয়। তিনি ছড়ার উপর দু’টি বই- তাল বাহারি ছড়া ও ছড়ায় গড়ে বোল প্রকাশ করেন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধভিত্তিক একটি উপন্যাস রচনা করেন। ২০১৭ সালের অমর একুশে বইমেলায় নজরুলগীতির উপর তার রচিত গীত ও সুরের ভিন্ন ঊর্মিমালায় : নজরুল সঙ্গীত বই প্রকাশিত হয়। এখনো তিনি গানের ভুবনে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে ভালোবাসেন। তারই ধারাবাহিকতায় গত বুধবার বাংলাদেশ বেতারের সাপ্তাহিক সরাসরি গানের অনুষ্ঠান ‘ইউফোনি’তে সঙ্গীত পরিবেশন করেন। যথারীতি অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন এই প্রজন্মের শ্রোতাপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী ইয়াসমিন লাবণ্য। এর আগেও লাবণ্যর উপস্থাপনায় এই আয়োজনে অনেক শিল্পীই এসেছেন, গান গেয়েছেন। তবে ফাতেমাতুজ জোহরার এই আয়োজনে আসা এবং সঙ্গীত পরিবেশন করার বিষয়টি লাবণ্যর কাছে ছিল এক অন্যরকম ভালোলাগার। ইয়াসমিন লাবণ্য বলেন, ‘শ্রদ্ধেয় ফাতেমাতুজ জোহরা বাংলাদেশের সঙ্গীতাঙ্গনের এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব। দীর্ঘদিন পর তিনি বাংলাদেশ বেতারের কোনো আয়োজনে সরাসরি গান গাইতে এসেছিলেন। আমার পরম সৌভাগ্য যে, তিনি আমার উপস্থাপনায় এই আয়োজনে গল্পের ফাঁকে ফাঁকে সঙ্গীত পরিবেশন করেছেন। তার আন্তরিকতা, সুন্দর কথা, চমৎকার শব্দ চয়ন এবং তার গানে আমি মুগ্ধ, উচ্ছ্বসিত। আমি সত্যিই ধন্য এমন গুণীজনের সান্নিধ্যে। বাংলাদেশ বেতার কর্তৃপক্ষের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা আমাকে ইউফোনির উপস্থাপনার সুযোগ করে দেয়ার জন্য।’