বগুড়া অফিস
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতে গড়া জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন পরিচালিত বগুড়া মহানগরীর দত্তবাড়িতে অবস্থিত শহীদ জিয়াউর রহমান শিশু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার প্রায় ২০ বছর পর চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
সম্প্রতি সরকার গঠিত নতুন পরিচালনা কমিটি এ লক্ষ্যে এক সভায় আগামী ১৮ জুন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে।
কমিটির সভাপতি এলডিআরডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম রোববার নির্বাহী কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের এ সিদ্ধান্ত জানান। সভায় কমিটির উপদেষ্টা স্থানীয় এমপি রেজাউল করিম বাদশা ও বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা: মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, হাসপাতালের পরিচালক সৈয়দ আমিনুল হক দেওয়ান সজলসহ অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় হাসপাতালের সার্বিক উন্নয়ন, চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণ এবং শিশুস্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি অ্যাজমা ও হৃদরোগের বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা চালুর বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বগুড়া মহানগরীর দত্তবাড়ী এলাকায় সরকারি জায়গায় জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের অধীনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলে (২০০১-২০০৬) তারেক রহমানের তত্ত্বাবধানে শুধুমাত্র শিশুদের চিকিৎসার জন্য তিনতলাবিশিষ্ট শহীদ জিয়াউর রহমান শিশু হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়। কিন্তু সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে তখন হাসপাতালটি চালু হয়নি। এরপর ওই হাসপাতালে অ্যাজমা কেয়ার অ্যান্ড প্রিভেনশন সেন্টার চালু করে ফ্রি অ্যাজমা চিকিৎসা দেয়া হয়। এরপর গত ফেব্রুয়ারিতে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠনের পর অব্যবহৃত শিশু হাসপাতালটি চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সম্প্রতি সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশে জেলা সিভিল সার্জন ডা: খুরশিদ আলম হাসপাতাল সরেজমিন পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্য বিভাগে একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। ওই প্রতিবেদনে ১০০ শয্যাবিশিষ্ট শিশু হাসপাতাল চালুর মতামত দেয়া হয়। তবে বর্তমান অবকাঠামো ব্যবহার করে সেখানে ৫০ শয্যার বেশি চিকিৎসা দেয়া সম্ভব নয় বলে জানা গেছে।
এ প্রসঙ্গে ডা: খুরশীদ আলম বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আমি সরেজমিন পরিদর্শন করে একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছি। এতে ১০০ শয্যা চালুর পক্ষে মতামত দেয়া হয়েছে। এখন সরকার এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে। তবে সেখানকার বর্তমান কাঠামোতে সর্বোচ্চ ৫০ শয্যার হাসপাতাল চালু হতে পারে।



